স্টাফ রিপোর্টার : শারদীয় দুর্গোৎসব থেকে দেবী দুর্গার এখন বিদায়ের সুর। আজ মঙ্গলবার দেবী বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান।
দুর্গোৎসবের টানা ৫ দিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মর্তলোক থেকে আজ বিদায় নেবেন দেবী দুর্গা। এবার দেবী ঘোড়ায় চড়ে মর্তলোকে এসেছিলেন, আবার কৈলাসেও ফিরবেন ঘোড়ায় চড়ে। চোখের জলে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা।
গতকাল সোমবার নবমীর দিনে নগরীর বিভিন্ন পুজামÐপ ঘুরে দেখা যায় ভক্তদের উপচেপড়া ভিড়। শেষ মুহূর্তে দেবীর অর্চনায় ব্যস্ত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। নগরীর বড়দা কালিমাতা মন্দির, লাঠিয়াল, নবরূপ, চন্দ্রমূখী সংঘ, সনাতন ধর্ম সংঘ, সবর্জনীন, ত্রিনয়নী, আগমনী, টাইগার সংঘ, করুণাময়ী, রাজশাহী ধর্মসভা, বোস্টম সভা, তারা সংঘ, ভদ্রা কালিমাতা মÐপসহ নগরীর প্রতিটি মÐপেই গতকাল ভক্তদের ভিড় দেখা যায়।
এদিকে নবমীর সকালে রাজশাহীর মÐপে মÐপে ভক্তদের শঙ্খ ও ঊলুর ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে দেবী চত্বর। পূজা শেষে অঞ্জলি দেয়া এবং দেশ-জাতি ও পরিবারের মঙ্গল কামনা করে প্রার্থনা করা হয়। চÐিপাঠ, অঞ্জলি, ভোগ, পুষ্পাঞ্জলি, যজ্ঞ ও আরতির মধ্যদিয়ে ভৈরবে শ্রী শ্রী শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী সম্পন্ন হয়।
নবমী পূজায় যজ্ঞের মাধ্যমে দেবী দুর্গার কাছে সমর্পণ করা হয়। সনাতন ধর্ম মতে, নবমী পূজার মাধ্যমে মানবকুলে সম্পদ লাভ হয়। ভক্তরা মায়ের কাছে দেশ, জাতি ও বিশ্বের সকল জীবের মঙ্গল কামনায় আশীর্বাদ কামনা করে। সান্ধ্য পূজার মধ্য দিয়ে নবমী পূজা সম্পন্ন হয়।
এদিকে, উৎসবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুরো নগরীতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আজ প্রতীমা বিসর্জন পর্যন্ত এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে বলে পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।