বাঘা প্রতিনিধি: বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের পীরগাছা নতুনপাড়া গ্রামে ভেজাল গুড় তৈরির কারখানায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলপনা ইয়াসমিনসহ পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়েছেন। এ অভিযানে কারখানার মালিক নজরুল ইসলামের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভেজার গুড়সহ তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলপনা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের পীরগাছা নতুনপাড়া গ্রামে মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলামের গুড় তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ভেজাল গুড়সহ তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। ভেজাল গুড় তৈরির অভিযোগে নজরুল ইসলামের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের জেল দেয়া হয়। নজরুল ইসলাম জরিমানার টাকা পরিশোধ করায় জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন থেকে অধিক মুনাফা লাভের আশায় চিনি, চুন, ফিটকিরি, হাইড্রোজ ও কেমিক্যাল মিশিয়ে ভেজাল গুড় তৈরি করে উপজেলার হাট-বাজারে বিক্রি করছে। সেই সাথে গুড়ের রং উজ্জ্বল করতে মেশাতেন বিষাক্ত কেমিক্যাল। ভেজাল উপকরণ দিয়ে এক কেজি গুড় তৈরি করতে খরচ হেেচ্ছ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। পক্ষান্তরে এক কেজি গুড়ের দাম ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। এ কারণে সে অধিক মুনাফা লাভের আশায় ভেজাল উপকরণ মিশিয়ে গুড় তৈরি করেন। এসব ভেজাল গুড় কিনে ক্রেতারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন।
বাঘা থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুর রেজা সরকার বলেন, গোপন সংবাদের ভিক্তিতে নজরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার টাকা টাকা মূল্যের ভেজাল গুড়সহ তৈরির বিভিন্ন উপকরণ শব্দ করা হয়েছে। এছাড়া তার জরিমানা করা হয়। সে জরিমানার টাকা পরিশোধ করায় অবশেষে মুক্তি পেয়েছে।
তবে ভেজাল গুড়ের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইএ সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভেজাল গুড় খেলে ক্যানসার, কিডনি ড্যামেজ হয়ে যায়। এছাড়া ভেজাল গুড় মানবদেহের জন্য ব্যাপক ক্ষতি করে।