এফএনএস: রোহিঙ্গারা যেন যখন তখন ক্যাম্পের বাইরে যেতে না পারে সেজন্য সেনাবাহিনী বেড়া দেওয়ার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সেনা প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। তিনি বলেন, টেকনাফের ক্যাম্পে থাকা ১১ লাখ রোহিঙ্গা যখন তখন ক্যাম্প থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। যত্রতত্র তারা ঘোরাফেরা করছে। নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাÐ ঘটছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ক্যাম্পের চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের চলাফেরা যাতে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, সেজন্য সরকার সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব প্রদান করেছে। আমরা সেই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। গতকাল সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪টি গোলন্দাজ ইউনিটকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে অবস্থিত আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেনা প্রধান বলেন, জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী এবার রোহিঙ্গা ক্রাইসিস নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যে চিন্তা চেতনা সেটিকে বাস্তবায়নে কাজ করা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নৈতিক দায়িত্ব। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ওই লক্ষ্যেই কাজ করবে। অনুষ্ঠানে সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (অব.) সহ রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির প্রাক্তন কর্নেল কমান্ড্যান্টগণ, বিভিন্ন ফরমেশনের জেনারেল কর্মকর্তা কমান্ডিং, চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়ার নৌ ও বিমান বাহিনীর কমান্ডার এবং সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে স্কুল মাঠে কালার প্যারেডের আয়োজন করা হয়। প্যারেডে কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল রুবায়েত মাহমুদ হাসিব। ১৪, ২৬ ও ৩০ ফিল্ড রেজিমেন্ট এবং ২১ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট আর্টিলারির কন্টিনজেন্টের নেতৃত্ব দেন যথাক্রমে ক্যাপ্টেন ফাহিম, ক্যাপ্টেন সাঈদুর, ক্যাপ্টেন রিয়াদ এবং মেজর আশিক। প্রসঙ্গত, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং সেনাবাহিনী তথা দেশমাতৃকার সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির ইউনিটগুলোকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪, ২৬ ও ৩০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি এবং ২১ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট আর্টিলারি কালার প্যারেডে অংশগ্রহণ করে।