এফএনএস: কৃষকদের সুবিধার্থে ডায়ামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সারের দাম কমানোর কথা জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, দাম কমানোর একটি প্রস্তাব শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। তার অনুমোদন পেলেই দাম কমানো হবে। গতকাল রোববার রাজধানীতে ১৪তম সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে গত এগারো বছরে সারের দাম এক টাকাও বাড়েনি। আমরা চিন্তা করেছি ডায়ামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সারের দাম আরও কমানোর। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব কেজিতে ৯ টাকা কমানোর প্রস্তাব করেছিলেন। আমি বলেছি কেজিতে ৫ টাকা কমানোর। ডিএপির দাম ২৫ থেকে ২০ টাকা করার একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। ড. রাজ্জাক বলেন, বিএনপি সরকারের সময় সারের যে দাম ছিল তার চেয়ে অনেক কম দামে সার দিচ্ছি। ৭২ টাকার সার আমরা ২২ টাকায়, ৯০ টাকার ডিএপি সার যেটা আমরা ২৫ টাকায়, পটাশিয়াম সার ৬০ টাকার যা ১৫ টাকায় দিয়েছি। সারের দাম আমরা আরও কমানোর চিন্তা করছি। তিনি বলেন, দিন দিন কৃষি শ্রমিকের সংকট তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ধান কাঁটা এবং রোপনের সময় শ্রমিকের খুব সংকট তৈরি হয়। আর শ্রমিকের সংকট তৈরি হওয়ার কারণে আমরাও কৃষির যান্ত্রিকীকরণের দিকে যাচ্ছি। কৃষকদের যন্ত্রপাতি কিনতে ৫০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এটি আরও ১০ শতাংশ বাড়ানো হবে। আর উপক‚ল ও হাওড় এলাকায় ভর্তুকির পরিমাণ ৭০ শতাংশ করা হবে। তিনি বলেন, রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন শুরু হয়েছে। অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করতে হয়েছে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে। কিন্তু যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও আজকের এই অনুষ্ঠানে এসে উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প শুনতে পারতো। এতে তাদের মধ্যেও উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ তৈরি হতো। কিন্তু তা হয়নি। নারী উদ্যোক্তা ও সাবেক তত্ত¡াবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রোকেয়া আফজাল রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরামের (সিডিএফ) নির্বাহী পরিচালক আবদুল আওয়াল, সিটি ব্যাংক এন এ কান্টি ম্যানেজার ডিরেক্টর এন রাজশেকা রান।