এফএনএস: র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ বলেছেন, সরকার যখন যে সিদ্ধান্ত নেবে আমরা তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব। যার মাথায় যা আসে সবকিছু একপাত্রে ঢেলে ‘চলমান অভিযান’ নস্যাৎ করে ফেলা ঠিক না। তিনি বলেন, আমরা সব ক্যাসিনো গুঁড়িয়ে দিয়েছি। ভবিষ্যতে ক্যাসিনো চালু হবে কি-না সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। কারণ বাংলাদেশ দ্রæতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, আমরা বর্তমানে থাকতে চাই ভবিষ্যতকে মনে রেখে।
ক্যাসিনো বাংলাদেশি আইনের পরিপন্থী। তাই ক্যাসিনো বন্ধ করা হয়েছে। যখন সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে সেই অনুযায়ী অভিযান চলবে। নেত্রকোনায় শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন র‌্যাবের মহাপরিচালক।
বেনজীর আহমেদ বলেন, যার যে দায়িত্ব তা সঠিকভাবে পালন করুন। কারও বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর দরকার নেই। দেশের প্রয়োজনে যেকোনো দায়িত্ব পালন করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কারও বিরুদ্ধে কিছু লেখার আছে, ছবি ছাপার আগে ভালো করে জেনে বুঝে লিখতে হবে। ক্যাসিনো নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর দরকার নেই। গুজব ছড়ানোর দরকার নেই। কারও চরিত্র হননের দরকার নেই। আগে ভাবুন, যেটা আপনি নিচ্ছেন তা আপনি ফেরত দিতে পারবেন? যদি কুৎসা হয় তাহলে ভাবুন, তার সামাজিক অবস্থানের বিষয়টি। তার যে সামাজিক ক্ষতি হয় তা কি আপনি ফিরিয়ে দিতে পারবেন? কাজটা সঠিক করছেন কি-না আগে ভাবুন। তারপর সংবাদ প্রকাশ করুন।
র‌্যাবের ডিজি বলেন, আমি একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলতে চাই। বঙ্গবন্ধু আমাদের একটি স্বাধীন দেশ দিয়ে গেছেন। শুধু তাই নয়, ডিজিটাল বীজ তিনিই বপন করে গেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৬ সালে ডিজিটাল বীজটি বপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন সারাবিশ্ব চতুর্থ বিপ্লবের কথা বলে। সারাবিশ্বে ডিজিটালাইজেশনের নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, আমাদের যা সম্পদ আছে, তা হলো মানব সম্পদ। আমরা আমাদের সন্তানদের মানব সম্পদ করে গড়ে তুলব। বিশ্বমানের করে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলব। নেত্রকোনায় যে বিশ্ববিদ্যালয়টি গড়ে তোলা হয়েছে তা বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে হবে। এখান থেকে বিশ্বমানের মানুষ তৈরি করতে হবে। তাহলেই আমাদের প্রচেষ্টা সফল হবে। শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. রফিক উল্লাহ খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এতে উপস্থিত ছিলেন- সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হাবিবা রহমান খান, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কাজী নাসির উদ্দিন, নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ একেএম সাদেকুল আজম, নেত্রকোনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার রায় ও পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সি প্রমুখ।