স্টাফ রিপোর্টার : আদালতের পরোয়ানা যথসময়ে জারি করতে সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন রাজশাহীর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তালুকদার।
গতকাল শনিবার রাজশাহীর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে মাসিক পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ নির্দেশনা দেন তিনি। সভায় ক্রোকী পরোয়ানা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও সাক্ষীর প্রতি পরোয়ানা যথাসময়ে জারিরও নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এছাড়া টেলিগ্রাফ এ্যাক্ট এর অধীন আনীত মামলা সমূহ এবং পারিবারিক আদালতের জারি মামলাসমূহের ক্রোকী পরোয়ানা রিপোর্ট যথাযথভাবে জারি করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
সভায় উপস্থিত সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, সকল মামলার ক্রোকী পরোয়ানা রিপোর্ট বিনা তামিলে ফেরত পাঠানো হয়, যা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ কোন মামলায় আসামির বাসায় ক্রোক করার মত কোন সম্পদ নাই তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। এ জন্য ক্রোকী পরোয়ানা রিপোর্ট যথাযথভাবে তামিলের জন্য গুরত্ব আরোপ করা হয়। সভায় টেলিগ্রাফ এ্যাক্ট এর অধীনে আনীত সকল মামলা সমূহের জন্য সুনির্দিষ্ট একটি আদালতকে দায়িত্ব প্রদান করার জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকি তার বক্তব্যে আদালত ও পুলিশের মধ্যকার সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে অব্যাহত রাখার ও যথাযথভাবে আদালতের পরোয়ানা জারিতে পুলিশ বিভাগের ভূমিকা বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন। ডাক্তার এ.এম.এম. মুকার রাবীন, প্রতিনিধি, সিভিল সার্জন ডাক্তার সাক্ষীদের উপস্থিতির বিষয়ে সভাকে আশ্বস্ত করেন। ডাক্তার ইফতেখার মোঃ কুদরত-ই-খুদা, জুনিয়র কনসালটেন্ট, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সভায় মেডিকেল সনদ যথাসময়ে আদালতে উপস্থাপন ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সরবরাহের প্রতিশ্রæতি দেন।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেব, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক লুৎফর রহমানসহ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসিতে কর্মরত সকল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা জজ আদালতে কর্মরত সহকারী জজসহ রাজশাহী জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ। সভা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল অধিকারী।
সভাপতি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সমাপণী বক্তব্যে বৈরী আবহাওয়ায় সভায় উপস্থিত হওয়ার জন্য সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।