এফএনএস: বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় যারা ক্যাসিনো চালু করেছিল, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় মির্জা আব্বাস, ফালু, সাদেক হোসেন খোকা- এরা ক্যাসিনো চালু করেছিল। যারা ক্যাসিনো পরিচালনা করছে, তারা যেমন দায় এড়াতে পারে না, যারা চালু করেছিল, তারাও দায় এড়াতে পারে না। যারা ক্যাসিনো চালু করেছিল, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে ইউনাইডেট ইসলামি পার্টি আয়োজিত সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদবিরোধী আলেম মাশায়েক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ঢাকা মহানগর নাট্যমঞ্চে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু মদ-জুয়া বন্ধ করেছিলেন। জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে সেসব আবার চালু করেন। বিএনপি-জামায়াত যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন ক্যাসিনো চালু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের দলের যারা ক্যাসিনো চালু করেছিল, তাদের বহিষ্কার করুন। তাদের পাশ থেকে সরিয়ে দিয়ে তারপর সমালোচনা করুন, কথা বলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি-জামায়াত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে দেশে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছিল। ইসলাম জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না। খালেদা জিয়া ইসলামের কথা বলে ভোট নিয়েছেন। কিন্তু, ইসলামের চর্চা করেননি। শেখ হাসিনা কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতি দিয়েছেন, সারাদেশে উপজেলায় একটি করে মসজিদ নির্মাণ করে দিচ্ছেন, প্রত্যেকটির জন্য ব্য হচ্ছে ১২ থেকে ২০ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সময় বাংলাদেশ জঙ্গি রাষ্ট্রে রূপ নিয়েছিল। শেখ হাসিনা জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে জঙ্গিবাদ দমন করেছেন। আমরা শতভাগ জঙ্গি দমন করতে না পারলেও কঠোরহস্তে দমন করছি। বিএনপি এখনো জঙ্গিবাদকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে। তারা যদি এখান থেকে সরে আসে, তাহলে আমরা সফল হবো। ইউনাটেড ইসলামি পার্টির সভাপতি মওলানা ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।