এফএনএস: অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পেয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক মাহবুবুল আনামকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে নোটিস দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো নোটিসে তাকে আগামি ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদের হিসাব দাখিল করতে বলা হয়েছে বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন। দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এ নোটিস মাহবুবুল আনামের ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বাসার ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে। দুদক জানিয়েছে, কমিশনের প্রাথমিক অনুসন্ধানে মাহবুবুল আনামের নামে চার কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার টাকার স্থাবর ও ৫৬ কোটি ৭৬ লাখ ৮৪ হাজার ৯৪৪ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৬২ কোটি ৫৪ লাখ ৮২ হাজার ৯৪৪ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে ওই সম্পদ অর্জনের গ্রহণযোগ্য উৎস্য না পাওয়ায় দুদক সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিস দিয়েছে। নোটিসে বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিক অনুসন্ধান করে কমিশনের স্থির বিশ্বাস জন্মেছে যে, মাহবুবুল আনাম জ্ঞাত আয় বহির্ভূত স্বনামে/বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ/সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। তাই নোটিস পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তার নিজের, নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ নির্ধারিত ফরমে দাখিল করতে বলা হয়েছে। মাহবুবুল আনামের অভিযোগটি অনুসন্ধানের দায়িত্বে রয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জুর আলম। মাহবুবুল আনামের ফ্রেইট ফরোয়ার্ডিং, পর্যটন সেবা, কুরিয়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন ব্যবসা রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশেনর (বিএএফএফএ) সভাপতির দায়িত্বেও আছেন।