বাঘা প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগামী ১৪ অক্টোবর বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা, মনিগ্রাম, পাকুড়িয়া ও গড়গড়ি এই ৪ ইউনিয়নে নির্বাচন। রোববার শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদের ১৫ জন ও সাধারণ সদস্য পদের ২১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের নির্বাচনকে ঘিরে আ’লীগ-বিএনপি ও স্বতন্ত্র মিলে চেয়ারম্যান পদে ৩৪ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৬৫ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ১ শ ৮৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র চূড়ান্ত করা হয়। গতকাল রোববার শেষদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে ১৫ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ২ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ১৯ জন তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
বাজুবাঘা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন মনোনয়ন উত্তোলন করেছিলেন। এর মধ্যে আ’লীগ থেকে ফজলুর রহমান ফজলকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন অ্যাড. ফিরোজ আহাম্মেদ রঞ্জু সরকার। অন্যদের মধ্যে ২২ সেপ্টেম্বর দলের হাই কমান্ডের নির্দেশে উভয় দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা তাদের নিজ নিজ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। পাকুড়িয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম মেরাজ এবং বিএনপি থেকে একক প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন ফকরুল হাসান বাবলু। এখানে আ’লীগ থেকে দু’জন প্রার্থী মনোনয়ন উত্তোলন করলেও শেষ পর্যন্ত তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মনিগ্রাম ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি অধ্যাপক সাইফুল ইসলামকে ও বিএনপি থেকে মজিবুর রহমান জুয়েলকে মনোনয়ন দেয়া হয়। অপর ৪ প্রার্থীর প্রত্যেকেই দলের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। গড়গড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করে ছিলেন। এখানে আ’লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন রবিউল ইসলাম রবি ও বিএনপি থেকে মাসুদ করিম টিপু। তবে প্রত্যাহারের শেষ দিন ৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। এই ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জুলফিকার আলী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মজিবুল আলম জানান, আগামীকাল ২৩ সেপ্টেম্বর (আজ) প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।