এফএনএস: ক্যাসিনোর ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা দলে অনুপ্রবেশকারী বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। তিনি বলেন, ক্যাসিনোর ব্যবসা অবৈধ। এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত যারা গ্রেফতার হচ্ছে তারা অনুপ্রবেশকারী। অতীতে অন্য দলের সঙ্গে রাজনীতি করেতো। তারা এখন আওয়ালীগ সরকারের ভাবমূর্তী ক্ষুণœ করতে চায়। গতকাল রোববার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের নতুন কার্যালয়ে দলের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির বৈঠক পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
উপ-কমিটির সদস্যসচিব ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বৈঠকে বলেন, ব্যর্থতার দায়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পদত্যাগ করা উচিত। এইচ টি ইমামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আইসিটি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, শেখ তন্ময় এমপি, প্রচার উপ-কমিটির সদস্য আখতার হোসেন, কাশেম হুমায়ুন, মাহমুদা সুলতানা হেলেন, এনামুল হক খসরু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের সুশাসনের ফলে অন্যায়কারীরা ছাড় পাচ্ছে না। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে মদ-জুয়ার ব্যবসা বন্ধ করে দিয়ে ছিলেন। বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে মদ ও জুয়ার ব্যবসা বৈধ করে দেন। তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে ক্যাসিনোর ব্যবসা চালু করেন। বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসসহ বিএনপি নেতাদের অনেকে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবৈধ এ ব্যবসা বন্ধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, অপরাধী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। বিএনপি শাসনামলে বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান হাওয়া ভবন করে দুর্নীতির রাজত্ব গড়ে তুলেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার আরেক ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর পাচারকৃত টাকা দেশে ফেরত আনা হয়েছে।
হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাৎ করার দায়ে কারাগারে রয়েছেন। তারেক রহমান লন্ডনে যে আয়কর জমা দেয় তার একটি অংশ ক্যাসিনোর ব্যবসা থেকে আসে বলে সংবাদ মাধ্যম থেকে জেনেছেন।