সোনালী ডেস্ক: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মধ্য দিয়ে শিবিরের হাতে নিহত শহীদ রীমুর আত্মদান সার্থকতা পেয়েছে। সেই ধারাকে অনুসরণ করে ছাত্র আন্দোলনকে সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতা-মৌলবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে। দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে শিক্ষাঙ্গনে দুর্নীতি, অনাচার ও কলুষতার বিরুদ্ধে। বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন যে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল তাকে বাস্তবায়িত করতে হবে।
গতকাল শনিবার বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর আয়োজিত শিক্ষা দিবসের চেতনা এবং শহীদ জুবায়ের চৌধুরী রীমু’র আত্মত্যাগ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনের রূপকার, সাবেক ডাকসু ভিপি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি।
এ সময় তিনি আরও বলেন, ছাত্র সংগঠনে ওপরতলার কিছু পরিবর্তন আনলেই সব পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে না। এর জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক দল সমূহ থেকে ছাত্র সংগঠনসমূহকে বিযুক্ত করা। গণতান্ত্রিক অবস্থায় তাদের নেতৃত্বে নির্বাচন করা। ছাত্র সংগঠনকে কলুষমুক্ত করতে ছাত্রনেতাদের কর্তৃত্ববাদী আচরণ বন্ধ করতে সংগঠনকে যুক্ত করতে হবে সাধারণ ছাত্রদের সাথে এবং ছাত্রদের স্বার্থরক্ষায় দলকে পরিচালনা করতে হবে।
বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফারুক আহমেদ রুবেলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুল মোতালেব জুয়েল’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ছাত্র মৈত্রীর রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় শাখার নেতা শহীদ রীমুর মাতা জেলেনা চৌধুরী। আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি তৌহিদুর রহমান, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সহ-সভাপতি শামিল শাহরোখ তমাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান বিবর্তন, ঢাকা মহানগর সভাপতি ইয়াতুননেসা রুমা, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল বিন শাফি রাব্বি।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কায়সার আলম, সহ-সাধারণ সম্পাদক তাপস দাস, অর্থ সম্পাদক কাজী মাহমুদুল হক সেনা, ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অতুলন দাস আলো প্রমুখ।