স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখার নেতা শহিদ জুবায়ের চৌধুরী রিমুর ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ছাত্রমৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফজলে হোসেন বাদশা বলেছেন, রিমুর স্বপ্ন ছিল বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা। রিমুর প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা তার স্বপ্ন বাসত্মবায়নের জন্য লড়াই করে যাব। কাজ করে যাব এক বৈষম্যহীন, সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা ফজলুল হক হলের সামনে শহিদ রিমুর স্মৃতিসত্মম্ভে পুষ্পসত্মবক অর্পণের আগে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাদশা বলেন, রিমুর স্বপ্নকে আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হলেই তার এই আত্নত্যাগের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো হবে। তাই মানুষের কল্যাণের জন্য আমরা লড়াই করে যাবো যতদিন লড়্গ্য অর্জিত না হচ্ছে।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা আরও বলেন, বাংলাদেশে এখনো সম্প্রাদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়নি। আবার ধর্মভিত্তিক রাজনীতিও বন্ধ হযনি। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি এখনো তৎপর। তারা যেন জেগে উঠতে না পারে, দেশের মানুষের ড়্গতি করতে না পারে সেই দিকে লড়্গ্য রেখেই আমরা কাজ করে যাবো।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি জুয়েল খান। অন্যদের মধ্যে উপসি’ত ছিলেন মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামানিক দেবু, সম্পাদকম-লীর সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আশরাফুল হক তোতা, ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুল মোতালেব জুয়েল প্রমুখ।
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। সমাবেশ শেষে ফজলে হোসেন বাদশা শহিদ রিমুর স্মৃতিসত্মম্ভে পুষ্পসত্মবক অর্পণ করে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর ওয়ার্কার্স পার্টি, ছাত্রমৈত্রী, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের পড়্গ থেকে পুস্পসত্মবক অর্পণ করা হয়।
উলেস্নখ্য, ১৯৯৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শিবির ক্যাডারদের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক হলের সামনে নিহত হন জুবায়ের চৌধুরী রিমু। সেই থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরকে শহিদ রিমু দিবস হিসেবে পালন করে আসছে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী।