স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) সদর দপ্তর নির্মাণের কাজ শুরম্ন করা হয় জেলা পরিষদের জমি দখল করে। এ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করে দিলেও জমি ফিরে পাবার লড়্গণ দেখছে না জেলা পরিষদ। তাই জমি রড়্গায় জেলা পরিষদ আইনের আশ্রয় নিতে চায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদের এক সভায় এই সিদ্ধানত্ম হয়েছে। সভার পাঁচ নম্বর সিদ্ধানেত্ম বলা হয়েছে, জেলা পরিষদের স্বার্থ অড়্গুণ্ন রাখার জন্য আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনে আদালতে মামলা দায়েরের মাধ্যমে জমি রড়্গা করা হবে। মামলা পরিচালনার জন্য জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আলেফ আলীকে দায়িত্ব দেয়া হলো বলেও ওই সিদ্ধানেত্ম লেখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজশাহী মহানগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে জেলা পরিষদের ৪৭ শতক জমি দখল করে আরএমপির সদর দপ্তর নির্মাণের কাজ শুরম্ন হয়। ভেঙে ফেলা হয় জেলা পরিষদের ঐতিহ্যবাহী একটি ডাকবাংলোও। এ নিয়ে জেলা পরিষদের আপত্তির প্রেড়্গিতে বিষয়টি মন্ত্রণালয় পর্যনত্ম গড়ায়। গেল ২২ আগস্ট স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ওই সভায় এই জটিলতা নিরসনে একটি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়। এরপর গত মঙ্গলবার কমিটির সদস্যরা জমি পরিমাপ করে দেখেন, আরএমপি তাদের জমির সীমানা ছাড়িয়ে জেলা পরিষদের জমিতে ভবন নির্মাণ কাজ শুরম্ন করেছে। তবে তখন এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধানত্ম হয়নি।
বৃহস্পতিবার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের দপ্তরে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধানত্ম হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত জেলা পরিষদের এক নম্বর সদর ডাকবাংলোর জমিতে আধুনিক মানের আরেকটি ডাকবাংলো নির্মাণ করা হবে। তাই কোনো জমি বিক্রি করা হবে না। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের গঠন করে দেয়া কমিটিতে জেলা পরিষদের নির্বাচিত কোনো প্রতিনিধিকে না রাখায় সভায় ড়্গোভ প্রকাশ করা হয়। ওই কমিটি পুনর্গঠনের আহ্বান জানানোরও সিদ্ধানত্ম গৃহিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্যানেল চেয়ারম্যান-১, ২ ও ৩ যথাক্রমে নাঈমুল হুদা রানা, রবিউল আলম, নার্গিস বেগম, জেলা পরিষদের সদস্য ও স্থাপনা বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক আবুল ফজল প্রামাণিক, সদস্য আবদুস সালাম, মোফাজ্জল হোসেন, সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের সদস্য জয়জয়নত্মী সরকার মালতি প্রমুখ।