স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড় এলাকায় মনিবাজার চত্বরে প্রায়ই নোংরা পানি ঢুকছে। নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সবাইকে। ব্যাপক ভোগানিত্ম পোহাচ্ছেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা। মনিবাজারে যাওয়া সাধারণ মানুষও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
গতকাল মঙ্গলবার বিকালে মনিবাজারে ঢুকতেই দেখা গেল, শহিদ এএইচএম কামারম্নজ্জামান জেলা পরিষদ মিলনায়তনের সামনে জমে আছে নোংরা পানি। সেই পানি মাড়িয়ে ভেতরে ঢুকে দেখা গেল, পুরো মনিবাজারের যেসব এলাকা সামান্য নিচু সেখানেই জমে আছে নোংরা পানি।
মনিবাজারের নানকিং বিউটি সেন্টারের স্বত্বাধিকারী শ্যামলী চিচাস বলেন, পার্লারের সামনে পানি জমে আছে। কাস্টমারদের আসতে সমস্যা হচ্ছে। আমাদেরও চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। তিনি বলেন, মাঝে মাঝেই এমন নোংরা পানি চলে আসে মনিবাজারের ভেতর।
ব্যবসায়ীরা জানালেন, মনিবাজারের পূর্ব পাশে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি মাঠ। সেই মাঠ মনিবাজারের চেয়ে উঁচু। কিন’ বৃষ্টি হলেই ওই মাঠে পানি জমে যায়। অনেক দিন জমে থেকে এই পানি এক সময় নোংরা হয়ে যায়। কখনও কখনও এই পানি মনিবাজারের দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একটি প্রাচীরের ফাঁকা অংশ দিয়ে এই পানি মনিবাজারে আসে।
মনিবাজারের চায়ের দোকানী দীপক রায় বলেন, কারা কর্তৃপড়্গের মাঠে কোনো প্রশিড়্গণের ব্যবস’া করা হলে তার আগে পানি ছেড়ে দেওয়া হয়। তখনই মনিবাজার পানিতে ভরে যায়। এতে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দোকানে কাস্টমার কমে যায়।
মনিবাজারে নানকিং দরবার হল, জেলা পরিষদ মিলনায়তন রয়েছে। এছাড়া নানকিং চাইনিজ রেসেত্মারাঁও রয়েছে। এসব স’ানে সমাজের নানা শ্রেণির মানুষের আগমন ঘটে। কিন’ পানির কারণে তাদেরও দুর্ভোগে পড়তে হয়। তাই এখানে যেন পানি না ঢোকে সেই ব্যবস’া গ্রহণের জন্য মনিবাজারের ব্যবসায়ীরা সংশিস্নষ্ট কর্তৃপড়্গের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কথা বলতে গতকাল রাতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুনের সরকারি মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। আর ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। তাই এ ব্যাপারে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।