বাঘা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘায় দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগামি ১৪ অক্টোবর ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে হতে যাচ্ছে নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়ন জমা ও যাচাই-বাছাই পর্ব শেষ করেছে উপজেলা নির্বাচন অফিস। এর মধ্যে একটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১ জন প্রার্থী মাদক মামলার আসামি। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে আরও ২ প্রার্থীর নামে মাদকের মামলা রয়েছে। এদের মধ্যে ১ জন সদস্য প্রার্থী কারাগারে রয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মজিবুল আলম বলেন, আগামি ১৪ অক্টোবর বাঘার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে বাজুবাঘা, গড়গড়ি, পাকুড়িয়া ও মনিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সে লড়্গে গত ১৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই হয়েছে। এখানে ২২ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন প্রতাহারের শেষ দিন ও ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতিক বরাদ্দ দেয়া হবে।
অভিযোগ উঠেছে, মনিগ্রাম ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবুর রহমান জুয়েলের নামে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে টাংগাইল থানায় একটি মাদকের মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তিনি দীর্ঘ সময় কারাগারে ছিলেন। তবে জুয়েল দাবি করেছেন, ওই মামলায় তিনি প্রথম দিকে হাজত খাটলেও পরবর্তীতে আদালতের রায়ে খালাস পেয়েছেন।
একই ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে যে দুই প্রার্থীর নামে মাদক মামলা রয়েছে তারা হলেন, ১নং ওয়ার্ডের ভানুকর গ্রামের আব্দুর রহমান ও ৩নং ওয়ার্ডের মহদীপুর গ্রামের রিয়াল আহাম্মেদ। এদের মধ্যে কয়েক মাস পূর্বে চারঘাট থানায় ইয়াবা জব্দকৃত মামলায় হাজতে থাকার পর জামিনে বের হয়েছেন আব্দুর রহমান। তিনি এলাকায় গরুব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। অপর জন হলে রিয়াল। তিনি মাদকব্যবসায়ী। তার নামে বাঘা ও চারঘাটসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে। বর্তমানে তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার মজিবুল আলম বলেন, পূর্বের নীতিমালা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি আদালতের রায়ে অভিযুক্ত প্রমাণিত হয়ে কারাভোগ করেন তাহলে সেখান থেকে বের হওয়ার ৫ বছর পর্যনত্ম তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না। এদিক থেকে যে ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তারা কেউই এ রায়ের আওতায় পড়েননি। এর মধ্যে ১ জন সদস্য প্রার্থী বিধি মোতাবেক কর্তপড়্গের মাধ্যমে জেল থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।