পুলিশকে বিপদের সময় মানুষের বন্ধু হতে হবে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় জনগণের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে সর্বাধিক গুরম্নত্ব দিতে হবে। এমন আহবানই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সারদায় সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিড়্গণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহবান জানান।
১৮ কোটি মানুষের সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশ সদস্যের ঘাটতি মেটাতে বর্তমান সরকার ৪৯ হাজার ২০০ পদ সৃষ্টি করেছে। তাদের প্রশিড়্গণের ব্যবস্থা করেছে। অঞ্চলভিত্তিক বিশেষায়িত পুলিশও তৈরি হয়েছে। এ সবের লড়্গ্য জনগণের সেবা নিশ্চিত করা, উলেস্নখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে পুলিশের প্রথম প্রশিড়্গণ সমাপনী কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও জনগণের পুলিশ হিসেবে গড়ে ওঠার কথাই বলেছিলেন। স্বাধীন দেশের পুলিশকে বিদেশি শাসকদের নয়, জনগণের পুলিশ হতে হবে। তিনি আরও বলেছিলেন, পুলিশের কর্তব্য জনগণের সেবা করা, জনগণকে ভালোবাসা, দুর্দিনে জনগণকে সাহায্য করা। ৪৭ বছর আগে এই সারদায়ই উচ্চারিত জাতির পিতার সেই প্রত্যাশা পূরণে পুলিশ সদস্যদের সদা সর্বদা সচেষ্ট থাকার কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গত রোববার।
জনগণও পুলিশের এমন ভূমিকাই আশা করে। পুলিশ সদস্যরা যদি জনগণের সেবক হিসেবে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হন তবে দেশের অনেক কিছুই পাল্টে যেতে সময় লাগবে না। জনগণ তখন স্বপ্নের সোনার বাংলা, ড়্গুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথে বিদ্যমান বাধা অপসারণে সর্বশক্তি নিয়োজিত করতে দ্বিধা করবে না।
জাতির পিতার প্রত্যাশা পূরণে পুলিশ বাহিনীর সড়্গমতা বৃদ্ধি ও অপরিহার্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দুর্নীতি বন্ধ ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাও জরম্নরি। তাহলেই স্বাধীন দেশের পুলিশ জনগণের পুলিশ হিসেবে দায়িত্ব পালনে সড়্গম হবে জোর দিয়ে বলা যায়।