এফএনএস: এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ২০২০-২০২২ অর্থবছরে বাংলাদেশকে দেশের দ্রম্নত, অনত্মর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য পাঁচ বিলিয়ন ডলারের উন্নয়ন সহায়তা দেয়ার কথা জানিয়েছে। বাংলাদেশে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ গত ১১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর পার্লামেন্ট অফিসে সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে বাংলাদেশের জন্য এডিবি’র উন্নয়ন কর্মসূচি বৃদ্ধির কথা জানান।
গতকাল শুক্রবার এডিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাক্ষাতকালে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে ২০২০-২০২২ সালের জন্য এডিবির নতুন কান্ট্রি অপারেশন্স বিজনেস পস্ন্যান (সিওবিপি) হসত্মানত্মর করেন। এতে ফার্ম প্রকল্পের জন্য প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এডিবির সহায়তা কর্মসূচিকে স্বাগত জানান এবং অবকাঠামো ও মানব সম্পদ উন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা, গ্রামীণ ও কৃষি উন্নয়ন এবং বেসরকারি সেক্টরের উন্নয়নে তাঁর সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর বলিষ্ঠ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বলেন, নতুন সিওবিপি সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং সমৃদ্ধি অর্জনের অন্যতম পথ। এডিবির এই সহায়তা অবকাঠামো ও সামাজিক খাতে বণ্টন করা হবে। বরাদ্দের প্রায় ৫৪ শতাংশ মানব সম্পদের আরও উন্নয়ন, পলস্নী সেবা, পানি সরবরাহ ও সেনিটেশন কার্যক্রম জোরদার, সড়ক, রেল ও বন্দর সংযোগ বৃদ্ধি, গ্রামীণ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের সামর্থ্য ও মান বৃদ্ধির কাজে ব্যবহৃত হবে।
বড় প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা-সিলেট সড়ক, জয়দেবপুর-এলেঙ্গা-রংপুর-বুড়িমারী-বাংলাবান্ধা সড়ক, ফরিদপুর-বরিশাল সড়ক, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের ডুয়েলগেজকরণ, চট্টগ্রাম-কঙবাজার রেল লাইন, ঢাকা এমআরটি লাইন ৫ (গাবতলী-পান্থপথ-আফতাবনগর), কর্মসংস্থান প্রকল্পের জন্য দক্ষতা, কম্পিউটার এ- সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং টার্শিয়ারী এডুকেশন প্রকল্প, ঢাকা সুয়ারেজ সিস্টেম এ- ওয়াটার সাপস্নাই প্রকল্প এবং খুলনা সুয়ারেজ সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্ট্যানবাই অবস্থায় পাইপলাইনে রয়েছে আরও ৪.৯ বিলিয়ন ডলারের কতিপয় পকল্প সহায়তার অর্থ।