পরিবেশের জন্য ড়্গতিকর পলিথিনের উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও তার তোয়াক্কা করে না কেউই। অবাধে উৎপাদন হচ্ছে, বিক্রিও হচ্ছে। কাঁচাবাজার থেকে মুদিখানা, রম্নটি-বিস্কুটের দোকান, হোটেল-রেসত্মঁরা, এমনকি ওষুধের দোকানেও পলিথিনেই পণ্য তুলে দেয়া হচ্ছে গ্রাহকের হাতে। প্রয়োজন শেষে পলিথিন বর্জ্য-আবর্জনায় পরিণত হয়। পচনশীল না হওয়ায় মাটি-পানি দূষিত করে। ড়্গতি করে পরিবেশের।
এ কারণেই ড়্গতিকর এ পণ্যের উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে ২০০২ সালে আইন পাস হয়। আইন ভঙে ১০ বছরের কারাদ- বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা, এমনকি উভয়দ-ে দেওয়ার বিধান রাখা হয়। এরপর পলিথিনের ব্যবহার কমে গেলেও তা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। আবারও সর্বত্র পলিথিনের রাজত্ব ফিরে আসতে বেশি সময় লাগেনি।
রাসত্মা-ঘাটে, নালা-নর্দমায়, খাল-বিলে, কৃষি জমিতে, কোথায় নেই পলিথিন সেটা বলা যাবে না। নগরীর পদ্মা পাড়ে পলিথিন ও পস্নাস্টিক বোতলের ছড়াছড়ি কারও চোখ এড়ায় না। তারপরও দেখার কেউ নেই।
নগর কর্তৃপড়্গ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সরকারি প্রশাসন অনেক কিছু নিয়ে ব্যসত্ম থাকলেও পলিথিন জাতীয় ড়্গতিকর পণ্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদড়্গেপ নিতে দেখা যায় না। সরকার পরিবেশ রড়্গায় নানাভাবে সচেষ্ট থাকলেও পলিথিন-পস্নাস্টিক বোতলের মতো ড়্গতিকর পণ্যের অবাধ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কেন গরজ দেখায় না সেটা বোঝা দুষ্কর।
অথচ পরিবেশ রড়্গায় এর উল্টোটাই হওয়া বাঞ্ছনীয়। পলিথিনের মত ড়্গতিকর পণ্যের অবাধ ব্যবহার বন্ধ এবং বিকল্প পরিবেশবান্ধব ব্যাগের প্রচলনে পরিকল্পিত পদড়্গেপ নেয়া জরম্নরি হয়ে উঠেছে।