এফএনএস: হিন্দু সমপ্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। দুর্গাপূজার আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সভায় তিনি এই নির্দেশ দেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সভায় পুলিশ প্রধান বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে সামপ্রদায়িক সমপ্রীতি বিনষ্টের লক্ষ্যে ফেইসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার চালালে তাদের বিরম্নদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিমা তৈরির সময় স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, পূজাম-পে সিসি ক্যামেরা ও অগ্নিনির্বাপন যন্ত্র স্থাপন এবং হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহারের জন্য পূজা উদযাপন কমিটির প্রতি আহ্বান জানান আইজিপি।
সভায় পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (অপারেশন্স) সাঈদ তারিকুল হাসান দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে নেওয়া সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরেন। পূজা উদযাপন পরিষদ নেতারা পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সনেত্মাষ প্রকাশ করেন। এ বছর সারাদেশে প্রায় একত্রিশ হাজারের বেশি ম-পে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে।
র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, অতিরিক্ত আইজিপি (এঅ্যান্ডও) মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, রেলওয়ে রেঞ্জের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মহসিন হোসেন, শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি আবদুস সালাম, এসবি প্রধান মীর শহীদুল ইসলাম, সিআইডি প্রধান মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির নেতারা, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
আগামী ৪ অক্টোবর শুরম্ন হবে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। আর ৮ অক্টোবর দশমীতে হবে প্রতিমা বিসর্জন।