স্টাফ রিপোর্টার: দেশের প্রত্যেকটি শহরে ‘ফেস রিকগনিশন’ ক্যামেরা বসানো হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, দুই হাজার পুলিশের কাজ যেন ১০০ ফেস রিকগনিশন ক্যামেরা করতে পারে তার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। অচিরেই এর বাসত্মবায়ন শুরম্ন হবে।
গত মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে বৃড়্গরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পলক বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় প্রত্যেক শহর নিরাপদ করার জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। যেমন ফেস রিকগনিশন ক্যামেরা। আধুনিক প্রযুক্তির ১০০ ফেস রিকগনিশন ক্যামেরা ২ হাজার পুলিশের সমান কাজ করবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী শহরের গুরম্নত্বপূর্ণ স্থানগুলোতেও এই ক্যামেরা বসানো হবে, যেন কেউ যৌন হয়রানির শিকার না হন, কোনো বোনকে যেন ইভটিজিংয়ের শিকার হতে না হয়। ফেস রিকগনিশন ক্যামেরা বসানো হলে সন্ত্রাসী কর্মকা- ঘটানোর পর কেউ পার পাবে না। সাধারণ ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার চেয়েও অনেক উন্নত প্রযুক্তির এই ক্যামেরা অপরাধীকে শনাক্ত করে দেবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রম্নজ্জামান লিটন। তিনি বলেন, আজ যে স্থানে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক নির্মাণ হচ্ছে আগে সেটি এলোমেলো একটি জায়গা ছিল। জায়গাটি ইতিমধ্যেই দর্শনীয় হয়ে উঠতে শুরম্ন করেছে। অতি উন্নত রাজশাহীর এটি একটি ছোট্ট সংস্ককরণ। এখানে সরাসরি ১৪ হাজার তরম্নণ-তরম্নণীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার নূর উর রহমান। এতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক হামিদুল হক, রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার সুজায়েত ইসলামসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক চত্বর এবং এর ভেতরের রাসত্মাগুলোর পাশে বিভিন্ন প্রজাতির এক হাজার বৃড়্গের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ‘সবুজ শ্যামল বাংলা গড়ে তুলব আমরা’ শেস্নাগানে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।