স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক স্কুলশিড়্গক এবং এক স্কুলশিড়্গার্থী নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাজশাহীর পবা ও বাগমারা উপজেলায় আলাদা দুর্ঘটনায় তারা নিহত হন। নিহত স্কুলশিড়্গক যুবলীগ নেতাও ছিলেন।
তার নাম আনোয়ারম্নল আক্তার রনি (৩৮)। তিনি পবা উপজেলার একেএম ধোপাঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিড়্গক ছিলেন। রাজশাহী মহানগরীর মধ্য নওদাপাড়া মহলস্নায় তার বাড়ি। তার বাবার নাম হেলাল উদ্দিন। রনি রাজশাহী মহানগর যুবলীগের শিড়্গা ও প্রশিড়্গণ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
অন্যদিকে রাজশাহীর বাগমারায় নিহত স্কুলশিড়্গার্থীর নাম আসাদুল ইসলাম (১২)। সে উপজেলার ঝিকড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিড়্গার্থী ছিল। ঝিকড়া গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে সে।
পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল হাসান জানান, দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন রনি। পথে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে পবা উপজেলার মধ্য পুঠিয়াপাড়া এলাকায় একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে লাশ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়।
ঘটনার পর ট্রাক ফেলে চালক ও হেলপার পালিয়েছে। তাই তাদের আটক করা যায়নি। এ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান জানান, সকালে ঝিকড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিড়্গার্থীদের একটি ভুটভুটিতে করে উপজেলা সদরে চলমান বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা অনুর্ধ্ব-১৭ ফুটবল প্রতিযোগিতা দেখতে আনা হচ্ছিল। পথে দানগাছি এলাকায় ভুটভুটিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।
এতে চাপা পড়ে শিড়্গার্থী আসাদুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এছাড়া আহত হয় আরও অনত্মত পাঁচজন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর নিহত আসাদুলেরও লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হসত্মানত্মর করা হয়। এ নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় মামলা হয়নি বলেও জানান ওসি।
এদিকে যুবলীগ নেতা রনির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রম্নজ্জামান লিটন। গতকাল বিকেলে এক বিবৃতিতে এ শোক প্রকাশ করেন মেয়র। শোক বিবৃতিতে তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও তাঁর শোক সনেত্মাপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
আরো শোক জানিয়েছেন, ওয়ার্কার্স পার্টির শাহ মখদুম থানা সভাপতি মিজানুর রহমান টুকু। বিবৃতিতে তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও তাঁর শোক সনেত্মাপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।