এফএনএস: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে আবেদন গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। পরে আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসার ব্যাপারে আদেশ দেন আদালত।
গতকাল রোববার আবেদনটি শুনানির জন্য উপস’াপন করা হয়। পরে বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এ এস এম আবদুল মবিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ আবেদনটি কার্যতালিকায় এলে শুনানি হবে বলে আদেশ দেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর এই মামলায় দ্বিতীয়বারের মতো জামিন আবেদন করা হয়। গত ৩১ জুলাই এ মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
গত ৩০ এপ্রিল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের সাজার বির্বদ্ধে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া অর্থদ- আপিল শুনানিকালে স’গিত করে এ মামলার যাবতীয় নথি দুই মাসের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। সেই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ জুন মামলার নথি হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়।
২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদ- ও ১০ লাখ টাকার অর্থদ- দেন আদালত। পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে স’াপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতার্বজ্জামান এ রায় দেন। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্র্বয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদ- ও আর্থিক জরিমানা করা হয়।