এফএনএস বিদেশ : ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকানোর বিল পাস হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই তা আইনে পরিণত হবে। পার্লামেন্টের এ রায়ের ফলে জনসনের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামি ৩১ অক্টোবরের মধ্যে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট বাস্তবায়িত হবে না। তবে তিনি ইইউ এর কাছে সময় চাইবেন না বলে জানানোর পর ব্রেক্সিট পিছিয়ে দেয়ার পক্ষে থাকা এমপিরা বলছেন তারা আদালতে যাবেন।
তবে এবার চুক্তি সম্পন্ন করেই ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের প্রত্যয় জানিয়েছেন বরিস জনসন। চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকানোর বিল ব্রিটেনের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে বুধবার পাস হয়।
চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য শুক্রবার উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসে উত্থাপিত হয় বিলটি। উচ্চকক্ষে বিলটি পাস হয়। কিছুদিনের মধ্যেই তা আইনে পরিণত হবে। এর ফলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামি ৩১ অক্টোবরের মধ্যে চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের প্রতিশ্র্বতি বাস্তবায়িত হবে না। কারণ এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে সময় চাইতে হবে জনসনকে।
তিনি জানিয়ে দিয়েছেন ব্রেক্সিটের সময়সীমা পেছানোর চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়। এতে করে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেল ব্রিটেনের রাজনীতি। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই চুক্তিসহ ইইউ ছাড়বেন বলে শুক্রবার স্কটল্যান্ডে গিয়ে সাংবাদিকদের জেরার মুখে বলেন বরিস জনসন। তিনি তার আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব বিরোধী দলের প্রত্যাখ্যানেরও সমালোচনা করেন এসময়।বরিস জনসন বলেন, ‘আমার সবকিছুতেই যেহেতু বিরোধিতা করছে পার্লামেন্ট সেহতু আগামি ১৭, ১৮ অক্টোবরের মধ্যে একটা চুক্তিতে পৌঁছাবো ইইউ এর সঙ্গে। আর ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই ইইউ ত্যাগ করবো। বিরোধীরা চাইছেনা কিন’ দেশের জনগণ ব্রেক্সিটের পক্ষে। আমি আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব দিলাম, লেবার নেতা জেরেমি করবিন সেটাতেও রাজি হলেন না। তারা আসলে জনগণের ওপর ভরসা রাখতে পারছে না।’শুধু জেরেমি করবিন নন, সবকটি বিরোধী দল একাট্টা হয়েছে আগাম নির্বাচনের বির্বদ্ধে। এ অবস’ায় ইইউ পুরো বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক পরিসি’তি নিয়ে। ইইউ নেতারা বলছেন, ব্রিটিশ সরকার নিজেই পরিস্কার করে জানেনা তারা আসলে কি চায়।