স্পোর্টস ডেস্ক: চলতি যুব এশিয়া কাপে প্রথম ম্যাচে আরব আমিরাতকে হারানোর পর গতকাল নেপাল অনূর্ধ্ব ১৯ দলকেও ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ যুবারা। অধিনায়ক আকবর আলির নায়কোচিত এক ইনিংসে সেমিফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দলের।
২৬২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশের শুর্বটা হয় বাজে। ১৯ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশের শুর্বর বিপর্যয় কাটান মাহমুদুল হাসান জয় ও তৌহিদ হৃদয়। দুজনে তৃতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৭৯ রান। ৫৬ বলে ৪০ রান করে মাহমুদুল বিদায় নিলে ইনিংস মেরামতের কাজটা সামলান হৃদয়। অধিনায়ক আকবর আলিকে নিয়ে যোগ করেন ৩৪ রান। ৬০ রান করে হৃদয়ের বিদায়ের পর সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন কাপ্তান আকবর আলি। বলের সঙ্গে পালৱা দিয়ে বাড়া রানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনার পথে তুলে নেন ফিফটি। প্রথমে খোলসবন্দী থাকলেও পরে রান তুলেন দ্র্বতগতিতে। দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন টাইগার কাপ্তান, তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন শামিম হোসেন। দুজনের অবিচ্ছেদ্য ১৩০ রানের জুটিতে ৬ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ যুবারা। ৮২ বলে ১৪ চারে ৯৮ রানে আকবর আলি ও ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন শামিম হোসেন। নেপালের হয়ে দুটি উইকেট নেন কমল সিং, একটি করে উইকেট নেন রাশিদ খান ও হরি চুহান।
টস হেরে ব্যাট করা নেপাল পাওয়ান সরাফের ৮১ রানের ইনিংসের পর সন্দ্বীপ ঝোরার ঝড়ো ফিফটিতে ২৬১ রানের বড় পুঁজিই পায়। ৪৫ রানের জুটিতে ভালো শুর্বই এনে দেন দুই ওপেনার। ৪৫ রানে রিত গৌতমকে (৩২) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন রাকিবুল হাসান। গৌতম ফিরে গেলেও ৪১ তম ওভারে বাঁহাতি পেসার মৃত্যুঞ্জয়ের শিকার হয়ে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে যখন সরাফ প্যাভিলিয়নের ফিরছিলেন ততক্ষণে নামের পাশে লেখা হয়ে গেছে ৮১ রান। সরাফের বিদায়ে ১৭৩ রানেই ৫ উইকেট হারানো নেপাল নিজেদের সংগ্রহ বড় করে সন্দ্বীপ ঝোরার বিষ্ফোরক ইনিংসে ভর করে, ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে বিম শারকিকে নিয়ে যোগ করেন ৭১ রান। মাত্র ৩৭ বলে ৩ চার ৩ ছক্কায় ৫৬ রান করে আউট হন ঝোরা। ২১ রান করা শারকিকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন তানজিম সাকিব। একই ওভারে এক বলের ব্যবধানে ফিরে যান ঝোরাও। দুজনের বিদায়ের পর নেপাল থামে ৭ উইকেটে ২৬১ রানে।
বাংলাদেশর হয়ে দুটি করে উইকেট নেন তানজিম সাকিব ও শাহীন আলম, একটি করে উইকেট ভাগাভাগি করেন মৃত্যুঞ্জয়, রাকিবুল, তৌহিদ হৃদয় ও মিনহাজুর রহমান।