স্টাফ রিপোর্টার: আজ ৮ সেপ্টেম্বর আনত্মর্জাতিক স্বাড়্গরতা দিবস। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য- ‘বহু ভাষার সাড়্গরতা, উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা’। রাজশাহীসহ সারাদেশে মর্যাদার সাথে পালিত হবে দিবসটি।
আনত্মর্জাতিক স্বাড়্গরতা দিবস উপলড়্গে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেছেন, শতভাগ সাড়্গরতা অর্জনে সাড়্গরতা কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। তিনি এ লড়্গ্যে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থাসহ সংশিস্নষ্ট সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেছেন, বর্তমান সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় দেশে সাড়্গরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের নিরড়্গর জনগোষ্ঠীকে সাড়্গরতা দানের লড়্গ্যে ৬৪টি জেলায় মৌলিক সাড়্গরতা প্রকল্প বাসত্মবায়ন করছে। আমাদের নিরলস ও অব্যাহত প্রচেষ্টার ফলে বিগত এক দশকে সাড়্গরতার হার ২৮ দশমিক ১২ শতাংশ বেশি বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৭৩ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সাড়্গরতা ও উপানুষ্ঠানিক শিড়্গা সংক্রানত্ম উন্নয়ন কর্মসূচি বাসত্মবায়ন করে দেশকে নিরড়্গরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে চাই। এছাড়াও জাতিসংঘ প্রণীত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৪ (এসডিজি-৪) অনুযায়ী মানসম্মত ও সর্বজনীন শিড়্গা নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী কর্মসূচি বাসত্মবায়ন করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবার আনত্মর্জাতিক সাড়্গরতা দিবস উদযাপিত হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় শতভাগ সাড়্গরতা অর্জন ও মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতির পিতার কাঙিড়্গত ড়্গুধা, দারিদ্র্য ও নিরড়্গরতামুক্ত সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে পারব।
এখানে উলেস্নখ করা যায়, ইউনেস্কোর আহবানে ১৯৬৫ সালে অনুষ্ঠিত এক সভার সিদ্ধানত্মক্রমে ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব স্বাড়্গরতা দিবস পালনের সিদ্ধানত্ম হয়। ৮৯টি দেশের শিড়্গামন্ত্রী, শিড়্গাবিদরা উপস্থিত ছিলেন ওই সভায়। বিশ্বের সকল মানুষের মধ্যে শিড়্গা সম্পর্কে সচেতনতা বোধ জাগ্রত করা এবং নিরড়্গরতা দূরীকরণে সমাজের সর্বসত্মরে উদ্দীপনা ও সচেতনা বৃদ্ধিই আনত্মর্জাতিক সাড়্গরতা দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য।
১৯৯১ সালে শতকরা ৩৫ শতাংশ বয়স্ক সাড়্গরতা নিয়ে বাংলাদেশে সংগঠিত আকারে সাড়্গরতা কর্মসূচির বাসত্মবায়ন শুরম্ন হয়। ১৯৯৭ এ এই হার শতকরা ৫০ ভাগে উন্নীত হয়েছে। ১৯৯৮ তে দাড়িয়েছে ৫৬ শতাংশে। বর্তমানে প্রায় ৭৪ শতাংশ।
এদিকে, দিবসটি উপলড়্গে রাজশাহী জেলা প্রশাসন আজ সকাল ৯ টায় নগরীর মনিবাজার চত্ত্বর থেকে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন পর্যনত্ম বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করবে। পরে এখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সকাল ১০ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন ও লক্ষ্মীপুর মোড়ে ফিল্মশো প্রদর্শিত হবে।
এর আগে, দিবসটি উপলড়্গে গতকাল নগরীর রিভারভিউ কালেক্টরেট স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক বিভাগে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণি ও খ বিভাগে একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিড়্গার্থীরা অংশ নেয়।