স্টাফ রিপোর্টার: সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে রাজশাহীতে কমেছে ডিমের দাম। অন্যদিকে দাম বেড়েছে চিনির। তাছাড়া অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাজশাহী মহানগরীসহ এর উপকণ্ঠের বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। বিক্রেতারা জানান, ১০ দিনের ব্যবধানে ডিমের দাম প্রতিটিতে কমেছে ১ টাকা। গতকাল প্রতিহালি সাদাডিম ২৮ থেকে ৩০ এবং লালডিম ৩০ থেকে ৩২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এদিকে চিনির দাম কেজিতে ২ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে খোলা চিনি ৫৬, প্যাকেট ৫৮ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এছাড়া সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় মাছের দাম কিছুটা কমে গতকাল প্রতিকেজি ছোটমাছ ২শ’ থেকে ৫শ’, সিলভার কার্প ১শ’ থেকে ১২০, পাঙ্গাস ১১০ থেকে ১৩০, রম্নই-কাতলা ১৫০ থেকে ২৮০, ইলিশ ছোট সাইজ (৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম) ৬শ’ থেকে ৮শ’ টাকা এবং বড় সাইজ (৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি) ৯শ’ থেকে ১ হাজার ১শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি গরম্নর মাংস ৫২০ থেকে ৫৫০, খাসির মাংস ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গতকাল প্রতিকেজি মুরগি ব্রয়লার ১শ’ থেকে ১১০, সোনালি ১৯০ থেকে ২শ’, দেশি ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
গতকাল প্রতিকেজি পেঁয়াজ দেশি ৪০ থেকে ৪৫ এবং ভারতীয় ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৪০ থেকে ৬০ টাকায়, বেগুন ৩০, আলু ১৮, পটল ২৫, করোলা ৩৫, কচু ৩০, পেঁপে ২০, ঢেঁড়স ২৫, মিস্টিকুমড়া ২০, ডাটা ১০, লাউ-কুমড়া প্রতিপিস ২০, প্রতিহালি কলা ১০, লেবু ৮ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এছাড়া গতকাল খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পোলাও এর চাল রকম ভেদে ৭০ থেকে ১শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গুটিস্বর্ণা ২৮/৩০, পারিজা/ লালস্বর্ণা ৩২/৩৩, আটাশ ৩৪ থেকে ৪২, মিনিকেট ৪৩ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মুগ ডাল বড়দানা ৬০, ছোটদানা ১২০, মসুর ডাল বড়দানা ৫৫, ছোট দানা ১০৮, ছোলার ডাল ৯০, এ্যাংকর ডাল ৪০, খেসারি ডাল ৬০, আটা খোলা ২৮ এবং প্যাকেট ৩২/৩৩ টাকায় বিক্রি হয়েছে, প্রতিলিটার সয়াবিন তেল খোলা ৭৮, বোতল ১শ’ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।