সোনালী ডেস্ক: বগুড়ায় এক নারীকে ও জয়পুরহাটে এক বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বগুড়া প্রতিনিধি জানান, বগুড়া শহরে নূরজাহান বেগম (৪৩) নামের কর্মজীবী নারীর গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ নিহতের ঘাতক স্বামী শাহীন আলমকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে। নৃশংস হত্যাকা-টি সংঘটিত হয়েছে শহরের ছিলিমপুর দিঘিরপাড় এলাকায়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে ঘরের তালা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ হত্যাকা- বে্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে। নিহত নূরজাহান বেগম জেলার দুঁপচাচিয়া উপজেলার পোথাট্টি গ্রামের মৃত সাবাজ সাকিদারের মেয়ে। অভিযুক্ত শাহীন আলম ওরফে সুমন বগুড়া সদর উপজেলার কদিমপাড়া গ্রামের মৃত দৌলত জামানের পুত্র। সে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ার্ড বয় হিসাবে কর্মরত ছিল।
পুলিশ বুধবার সকালে স্ত্রী হত্যা ঘটনায় পলাতক শাহীন আলমকে শহর থেকে আটক করে। এ বিষয়ে বুধবার নিহতের মা আছুবা বেওয়া শাজাহানপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ বিষয়ে বুধবার দুপুরে সংড়্গিপ্ত এক প্রেসব্রিফিংকালে বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম (বার) জানিয়েছেন, আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি পারিবারিক কলহের জের ধরে নূরজাহান বেগমকে হত্যা করা হয়েছে। তদনেত্ম পুরো ঘটনা জানা যাবে। শাহীন আলমকে রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।
জয়পুরহাট প্রতিনিধি জানান, জয়পুরহাট সদর উপজেলায় ৭০ বছরের এক বৃদ্ধ খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ তার নাতিকে আটক করেছে। সদর থানার পরিদর্শক (তদনত্ম) রায়হান হোসেন বলেন, বুধবার সকাল ১০টার দিকে হত্যাকা-েরএ ঘটনা ঘটে। নিহত বেলাল উদ্দিন (৭০) সদর উপজেলার করিমনগর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। আটক বায়েজিদ হোসেন (১৯) একই উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের লিটন হোসেনের ছেলে।
হত্যাকা-ের কারণ সম্পর্কে পুলিশ কিছু বলতে পারেনি। প্রতিবেশিরা জানান, আট-দশ বছর ধরে বায়েজিদ নানাবাড়ি থেকে স্থানীয় একটি মাদ্রসায় লেখাপড়া করত। তবে মাঝেমধ্যেই মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে লেখাপড়া ঠিকমত করত না। সকালে বায়েজিদ বটি দিয়ে নানার গলা কেটে ফেললে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরিদর্শক রায়হান বলেন, স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বায়েজিদকে আটক করা হয়। আর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদনেত্মর জন্য জয়পুরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।