সোনালী ডেস্ক: রাজশাহীর মোহনপুর, নাটোরের সিংড়া ও পাবনার সাঁথিয়ায় ৩ ছাত্রী ধর্ষিত হয়েছে। পুলিশ ৩ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে।
মোহনপুর প্রতিনিধি জানান মোহনপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষিত হয়েছে। ধর্ষণের অভিযোগে কলেজছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্কুলছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে সোমবার রাতে থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীড়্গার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও আটক আসামিকে পুলিশ জেল-হাজতে প্রেরণ করেছে ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের লিয়াকত আলী মাস্টারের ছেলে কলেজছাত্র ইমরান হোসেন (২৬) একই গ্রামের জনৈক ব্যক্তির ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়-য়া মেয়েকে (১২) নানাভাবে কুপ্রসত্মাব দিয়ে আসছিল। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার স্কুলছাত্রী নিজ বাড়িতে টেলিভিশন দেখছিল। এ সময় সুযোগ বুঝে কলেজছাত্র ইমরান আলী শয়নকড়্গে ঢুকে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে। মামলা দায়েরের পর রাতেই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি জানান, বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বুলবুল আহমেদ রাব্বি (২১) নামে এক কলেজছাত্রকে সিংড়া থানার পুলিশ আটক করেছে । সোমবার দুপুরে তাকে আটক করা হয়। রাব্বি দড়্গিণ দমদমা মহলস্নার মৃত হোসেন আলীর পুত্র। সে সিংড়া গোলই আফরোজ সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ধর্ষিত কলেজছাত্রী নাটোর বলারীপাড়ার জনৈক ব্যক্তির মেয়ে। মামলা সূত্রে জানা যায়, ৬ মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে রাব্বির (ফেসবুক আইডি জুনিয়র জিৎ) সাথে ওই কলেজছাত্রীর পরিচয় হয়। গত ১৩ মার্চ দু জন চলনবিলের কবিরগঞ্জ পার্কে বেড়াতে যায়। বিয়ের প্রলোভনে সেখানে একটি রুমে দু জন অনৈতিক সম্পর্কে মিলিত হয় এবং কিছু আপত্তিকর ছবি তোলে পরবর্তীতে কিছু ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে এবং হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। মামলার তদনত্মকারি অফিসার এসআই ইলিয়াস জানান, বিষয়টি তদনত্ম করা হচ্ছে। আদালতে মেয়ে জবানবন্দি দিবে। থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, ওই মেয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রাব্বিকে সোমবার আটক করে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে নাটোর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি জানান, সাঁথিয়ার কাশিনাথপুর বাজারে মোলস্না হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে ১ শিশু ধর্ষিত হয়েছে। পুলিশ ধর্ষককে আটক করেছে । থানায় মামলা সূত্রে জানা যায়, কাশিনাথপুর বাজারে মোলস্না হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন ধর্ষিতা শিশুর মা। গত ৫ আগস্ট সকালে ৩য় শ্রেণিতে পড়-য়া শিশুটি (১১) তার মায়ের সাথে দেখা করতে যায়। মা বাইরে থাকায় হোটেল মালিক বাবুর ছেলে আব্দুলস্নাহ্‌ (১৯) কৌশলে তাকে এক কড়্গে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটি অসুস’ হওয়ায় তার মা স’ানীয় চিকিৎসকের নিকট নিলে ধর্ষণের বিষয় জানাজানি হয়। পরে ওই শিশুটির মা সোমবার বাদি হয়ে সাঁথিয়া থানায় অভিযোগ দেন। থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ধর্ষক আব্দুলস্নাহ্‌কে আটক করে। এ ব্যপারে থানায় নারী শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ধর্ষককে আদালতে প্রেরণ করেছে। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, থানায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে। আসামিকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।