এফএনএস: সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের বরখাসত্ম উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার সাড়ে ১২টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যনত্ম কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মামলার তদনত্ম কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলেন কমিশনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। গত ১৪ জুন সম্পদের তথ্য গোপন এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মিজান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান এবং ভাগ্নে এসআই মাহমুদুল হাসানের বিরম্নদ্ধে মামলা হয়। মামলায় আসামিদের বিরম্নদ্ধে তিন কোটি সাত লাখ ৫ হাজার ২১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ওই মামলায় আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে মিজান গত ১ জুলাই হাই কোর্টে গেলে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাই কোর্ট বেঞ্চ তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়। এরপর থেকে আদালতে বেশ কয়েক বার আবেদন করেও জামিন পাননি তিনি। এই মামলার তদনেত্মর অংশ হিসেবে ডিআইজি মিজানকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে দুদকের ওই কর্মকর্তা জানান। এক নারীকে জোর করে বিয়ের পর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ওঠায় গত বছরের জানুয়ারিতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মিজানুর রহমানকে। এরপর তার অবৈধ সম্পদের খোঁজে অনুসন্ধান শুরম্ন করে দুদক; সেই অনুসন্ধানের দায়িত্ব পান কমিশনের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। সেই অনুসন্ধান চলার মধ্যেই ডিআইজি মিজান গত ৮ জুন দাবি করেন, বাছির তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। এর পক্ষে তাদের কথপোকথনের কয়েকটি অডিও ক্লিপও তিনি ফাঁস করে দেন। ঘুষের অভিযোগ ওঠার পর তাদের দুজনকেই সাময়িক বরখাসত্ম করা হয়। এরপর দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা গত ১৬ জুলাই তাদের বিরম্নদ্ধে মামলা করেন।