স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেছেন, বিগত ১০ বছরে রাজশাহী মহানগরীর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা আগামীতেও চলবে। কোথায় উন্নয়ন করা লাগবে, এমন চাহিদা আমার কাছে পৌঁছে দেয়া হলে তা বাসত্মবায়নের জন্য আমি উদ্যোগ নেব।
গতকাল সোমবার বিকালে রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়ায় হামিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয়তলা নতুন ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করতে গিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাদশা বলেন, চার কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এই স্কুলের নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ শুরম্ন হলো। নগরীর আরও ৬টি স্কুলে সমপরিমাণ বাজেটে চমৎকার ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এই উন্নয়ন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, এই ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে আগে চারটি শিড়্গাপ্রতিষ্ঠান ছিলো। নওদাপাড়া গার্লস স্কুল, হামিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়, শাহমখদুম স্কুল ও মহানগর কলেজ। এই সব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা হয়েছে। অতিরিক্তভাবে হয়েছে শহিদ বুদ্ধিজীবী কলেজ ও মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। তিন বছরের মধ্যে এ এলাকায় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়েরও ক্যাম্পাস হচ্ছে। শিড়্গা-দীড়্গার প্রসারে এই এলাকা পিছিয়ে থাকবে না।
এ সময় ফজলে হোসেন বাদশা ১৭ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে নিজের নানা উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। বলেন, এই এলাকার তিন দিকে তিনটি কাঁচাবাজার চালু করতে হবে। তাহলে শহরের বাইরে থেকে কৃষকরা এসে এখানে ন্যায্যমূল্যে তাদের জমির ফসল বিক্রি করতে পারবে। তখন তাদের মধ্যস্বত্বভোগীদের খপ্পড়ে পড়তে হবে না। এর ফলে কৃষকরা লাভবান হবেন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ ও হামিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সরিফুল ইসলাম বাবু। তিনি বলেন, সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশার হাত ধরে রাজশাহী মহানগরীর প্রতিটি শিড়্গাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন হয়েছে। শিড়্গার সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় তিনি হামিদপুর স্কুলেও অত্যাধুনিক ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করেছেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- শাহমখদুম থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শাহাদাত হোসেন সাহু, ওয়ার্কার্স পার্টির শাহমখদুম থানা সম্পাদক মিজানুর রহমান টুকু, শাহমখদুম কলেজের প্রাক্তন অধ্যড়্গ আমিনুর রহমান, হামিদপুর স্কুলের প্রধান শিড়্গক আফসার আলী, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য তাজুল ইসলাম, মাহাবুবুর রহমান, এনতাজ আলী প্রমুখ।