স্টাফ রিপোর্টার: শাহ্‌্‌ কৃষিতথ্য পাঠাগার ও জাদুঘরে কৃষক-কৃষাণি ও কৃষি সংক্রান্ত কাজে অবদানের জন্য ১১ ব্যক্তিকে বিভিন্ন অভিধায় সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিগ্রামে বেসরকারি পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত কৃষকের পাঠাগার ও জাদুঘরে গতকাল রোববার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী শিৰা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মকবুল হোসেন। তিনি বলেন, এই কালিগ্রাম কৃষকের বাতিঘর। এখানে কৃষি নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। এখান থেকেই আগামী দিনে বাংলাদেশের কৃষির গবেষক তৈরি হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা কবি ও গবেষক তসিকুল ইসলাম।
অন্যাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- রাজশাহী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিৰক নুসরাৎ রহমান, মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিৰক নাসিম বানু, রাজশাহী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিৰক রওশন আরা প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন শাহ কৃষি তথ্য পাঠাগার ও জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা জাহাঙ্গীর শাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ বেতার রাজশাহীর ধারা ভাষ্যকার আব্দুর রোকন।
অনুষ্ঠানে যে ১১জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয় তাদের বিভিন্ন অভিধায় ভূষিত করা হয়। তারা হলেন, কৃষক পর্যায়ে ধান সংকরায়নের গবেষক নূর মোহাম্মদ, চাষি পর্যায়ে কৃষিযন্ত্রের কারিগর হযরত আলী, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণকারী চাষি এমরান আলী, কৃষকের স্বাস’্যসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য মাহাবুবুল আলম, কৃষকের জ্ঞানের আলো সংরৰক জোস্না বেগম, চাষির রান্না বিশারদ সোহরাব আলী, কৃষকের সন্তানদের শিৰার আলোকবর্তিকা আব্দুল করিম, প্রাণীর সেবক মফিজ উদ্দিন, যত্নের সঙ্গে খড়ের পালা সাজানোর অনন্য কারিগর আব্দুল হামিদ, খেজুর গাছ ঝোড়ার প্রাচীন পেশা ধরে রাখায় খন্দকার শাহীন ও কৃষি তথ্যপাঠাগার ও জাদুঘরের কৃষি-কৃষকের বন্ধুজন ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের নেপথ্যের কারিগর আব্দুর রোকন।