সোনালী ডেস্ক: রাজশাহীর বাঘা ও সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ নারীসহ ২ জন নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছেন।
বাঘা প্রতিনিধি জানান, রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে অসুস্থ নয়ন আহমেদকে (২০) নিয়ে যাওয়ার পথে বাঘায় সড়ক দুর্ঘটনায় সীমা নামের এক নারী নিহত হন। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মানিকদিয়াড় গ্রাম থেকে রেজাউল করিমের থ্রি হুইলার (সিএনজি) যোগে নয়নকে রাজশাহীতে নিয়ে যাওয়ার পথে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় বাঘা-ঈশ্বরদী সড়কের বানিয়াপাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় সিএনজি-ভুটভুটি সংঘর্ষে আহত হন মোহন আলী (২৩), রনি আহমেদ (২০), সীমা খাতুন (২৬), নয়ন আহম্মেদ (২০) ও সিএনজি চালক রেজাউল করিম (৩৬)।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বাঘা স্বাস্থ্য কমপেস্নঙ নেন। সেখান থেকে সীমা, রনি ও নয়নকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথে নয়নের আত্মীয় সীমা মারা যায়। নিহত সীমা মানিকদিয়াড় গ্রামের আলমের স্ত্রী। আহতদের বহনকারি মাইক্রোবাসের চালক বুলবুল হোসেন সীমার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সন্ধ্যে ৭ টায় সীমা খাতুনের লাশ বাঘা থানায় রাখা হয়েছে।
বাঘা স্বাস্থ্য কমপেস্নঙের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আখতারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সিএনজিচালক রেজাইল করিম ও মোহনকে বাঘা স্বাস্থ্য কমপেস্নেঙ রেখে ওই ৩ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। থানার ওসি (তদনত্ম) আব্দুল ওয়াহাব বলেন, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় বালুবোঝাই ট্রাকের চাপায় সাহেব আলী শেখ (৫২) নামে এক নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জ-নলকা চার লেন মহাসড়কে কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের কুটিরচর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাহেব আলী শেখ সলঙ্গা থানার পূর্ব মথুরাপুর গ্রামের বাসিন্দা। কামারখন্দ থানার পরিদর্শক (তদনত্ম) পলাশ চন্দ্র দেব জানান, মহাসড়কের পাশে কুটিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়ালের সংস্কার কাজে নিয়োজিত ছিলেন নির্মাণ শ্রমিক সাহেব আলী। তিনি রাসত্মা পার হতে গেলে বালুবাহী একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার এবং ট্রাকটি আটক করা হলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়।