স্টাফ রিপোর্টার: এখন শরৎ-এর মাঝামাঝি। এর পরেও উত্তপ্ত প্রকৃতি। ভ্যাপসা গরমে অসহনীয় হয়ে উঠেছে পদ্মা পাড়ের শহর রাজশাহীর মানুষের জীবন। বৃষ্টিবিহীন আবহাওয়ায় ঘরের চেয়ে বাহিরের অবস্থা আরো বেশি ভয়াবহ। প্রতিদিনিই বেলা বাড়ার সাথে সাথে যেন পালস্না দিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রা। সেই সাথে বিদ্যুতের আশা যাওয়ায় দুর্ভোগ আরো বেড়েছে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয়বাষ্প ও আর্দ্রতার মাত্রা বেশি থাকার কারণে মানুষ অতিরিক্ত ঘামছেন। তাই ঘরের বাইরে বের হলেই মানুষ সঙ্গে নিচ্ছেন ছাতা এবং পানির বোতল। গরমের কারণে বিভিন্ন স্থানে গাছের ছায়ায় অনেকেই বসে বিশ্রাম নিচ্ছেন। আর পথচারিরা ভিড় করছেন ফুটপাতের শরবত, আখেররস এবং ডাব বিক্রেতাদের কাছে।
নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট এলাকায় গতকাল দুপুরে এক পথচারীরা বলেন, রোদে শরীর পুড়ে যাচ্ছে। কিন্তু কাজের জন্য বাইরে বের হতেই হচ্ছে। এ অবস্থায় শরীর দিয়ে শুধু পানি বের হচ্ছে। ঘামে জামাকাপড় ভিজে যাচ্ছে। আবার বাড়িতে ফ্যানের বাতাসেও ঠা-া হতে পারছি না। ফ্যানের বাতাসেও গরম ঝরছে। আর বিদ্যুৎ চলে গেলেতো কোনো কথাই নেই। বিভিন্ন এলাকায় কোন ঘোষনা ছাড়ায় ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকছে। এতে দুর্ভোগ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস বলছে, দিনের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য খুব বেশি না হওয়ার কারণে আবহাওয়া ঠা-া হচ্ছে না। বৃষ্টি না হওয়া পর্যনত্ম তাপমাত্রা কমে আসার কোনো লড়্গণ নেই। তবে দু’একদিনের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।