স্টাফ রিপোর্টার: নগরীতে পুলিশের ওপর হামলা ও অবৈধ পিসত্মল, ম্যাগজিন এবং ৬ রাউ- গুলিসহ তিন শিড়্গার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় একজন এএসআই আহত হয়েছেন। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে কাদিরগঞ্জ চাউলপট্টি কড়ইতলা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, তারা ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে, অভিজিৎ হালদার রিংকু (২২) তিনি সপুরায় থাকেন এবং রাজশাহী কলেজের বিবিএস প্রথম বর্ষের শিড়্গার্থী। তার স্থায়ী ঠিকানা নাটোরের (বড়াইগ্রাম) হারম্নয়া গ্রামে এবং বাবার নাম রনজিৎ হালদার, অপরজন নগরীর কয়েরদাড়া এলাকার খলিলুর রহমান ওরফে খলিলের ছেলে আমির হোসেন (১৬) তিনি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র এবং সাহেব বাজার মাস্টারপাড়া এলাকার এমাজ উদ্দিনের ছেলে মোবারক হোসেন (১৭)। তিনি সপুরা ভোকেশনালের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। স্থায়ী ঠিকানা গোদাগাড়ী মানত্মাইল গ্রাম। আরএমপি’র মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (সদর) গোলাম রম্নহুল কুদ্দুস এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রত্যড়্গদর্শী আহত এএসআই মাইনুল ইসলাম বলেন, গতকাল বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে কাদিরগঞ্জ চাউলপট্টি কড়ইতলা মোড়ে নিয়মিত তলস্নাশী অভিযানের অংশ হিসেবে শিরোইল ফাঁড়ি পুলিশ চেকপোষ্ট বসায়। এ সময় একটি রিকশায় তিনজন আরোহীকে সন্দেহ হলে পুলিশ রিকশার গতিরোধ করে। তাদের নামিয়ে তলস্নাশীর সময় একজনের কোমর থেকে একটি পিসত্মল, ৬ রাউ- গুলি ও একটি চাকু উদ্ধার করে। এ সময় তিনজনের মধ্যে আমির হোসেন তার পকেটে থাকা ছুরি নিয়ে এএসআই মাইনুলের ওপর হামলা চালায়। কিন্তু এএসআই মাইনুল ছুরিটি হাত দিয়ে প্রতিরোধ করলে তার বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল জখম হয়। এ সময় তারা পালানোর চেষ্টা করলে এএসআই মাইনুলসহ সঙ্গীয় ফোর্স আতাউর রহমান ও ফারম্নক হোসেন তাদের জাপটে ধরে আটক করে। পরে আহত এএসআইকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।