স্টাফ রিপোর্টার: নদীতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল নয়ন আলীর (১৯) লাশ। কিন্তু ময়নাতদনেত্মর প্রতিবেদন বলেছে, গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে নয়নকে। এ নিয়ে হত্যা মামলা করেন নয়নের মা। কিন্তু এই মামলার কোনো অগ্রগতি নেই। তাই খুনিরা ধরা পড়বে কি না তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছে তার পরিবার।
নিহত নয়ন রাজশাহীর পবা উপজেলার বেড়পাড়া গ্রামের গোলাম নবীর ছেলে। তিনি গরম্নর রাখাল ছিলেন। কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে সেই রহস্য উদঘাটন হয়নি। এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তাও শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। মামলা দায়েরের সপ্তাহ পেরম্নলেও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মে নয়ন বেড়পাড়া গ্রামের মাসুম (২৭), আশিক (২২), পিয়াস (২৮), আরিফ (২৮), সুজন (২৫) এবং দরগাপাড়া গ্রামের আসরাউলের (২৭) সঙ্গে চরমাজারদিয়া সীমানেত্ম গরম্ন-মহিষ আনতে যান। পরদিন সকালে গ্রামের পাশ দিয়ে যাওয়া পদ্মা নদীতে নয়নের ভাসমান লাশ পাওয়া যায়। পরে দামকুড়া থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদনেত্মর ব্যবস্থা করে। তখন পুলিশের পড়্গ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলাও দায়ের করা হয়।
মামলার বাদী শাহীনা বেগম এজাহারে উলেস্নখ করেছেন, ঘটনার দিন নয়নসহ সবাই মহিষ নিয়ে আসেন। নয়ন ছাড়া সবাই মহিষ নিয়ে বাড়ি চলে যান। কিন্তু নয়নের লাশ পড়ে থাকে নদীতে। আর নয়নের আনা মহিষ দুটি ছিল হরিপুর বেড়পাড়া রাকিবুল (৩৫) ও মামুন (৩৬) নামের দুই ব্যক্তির বাড়িতে । নয়নের পরিবারের আশঙ্কা, এই ঘটনার সঙ্গে এরা জড়িত থাকতে পারেন।
নয়নের বড় ভাই আবু সাঈদ বলেন, ময়নাতদনত্ম প্রতিবেদন পাওয়ার পর হত্যা মামলা করা হয়। কারণ, ময়নাতদনত্ম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে নয়নকে হত্যা করা হয়েছে। মামলা দায়েরের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এ পর্যনত্ম কাউকে শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ফলে হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটন নিয়ে আমরা সংশয়ের মধ্যে আছি।
জানতে চাইলে পবার দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারম্নল ইসলাম বলেন, এটা একটা ‘ক্লু লেস কেস’। অনেক কারণেই নয়নকে হত্যা করা হতে পারে। সে জন্য মামলাটা গভীরভাবে তদনেত্মর প্রয়োজন। তদনত্ম কর্মকর্তা কাজ করছেন। আশা করছি দ্রম্নতই একটা ফলাফল আসবে।