স্কুল লেখাপড়ার জায়গা। কিন’ রাজশাহী পুঠিয়া উপজেলার একটি স্কুলে প্রায় অর্ধশতাধিক শিৰার্থীর মাথার চুল কাটা হয়েছে। আর কাজটি করেছেন স্কুল কমিটির সভাপতি নিজেই। ফলে ছাত্ররা ক্লাস বর্জন করে চুল কাটার বিচার দাবি করেছে।
মাস দুয়েক আগে পুঠিয়ার সরিষাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হয়েছেন ৰমতাসীন দলের সহযোগী একটি সংগঠনের স’ানীয় এক নেতা। স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি পাশের এক সেলুন থেকে কাঁচি নিয়ে নিজ হাতে শিৰার্থীদের মাথার চুল কেটেছেন এবড়োথেবড়োভাবে। ফলে তারা লজ্জায় বাইরে বের্বতে পারছে না। স্কুলেও আসছে না। তারা এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জন করেছে। শিৰার্থীদের সাথে অভিভাবকরাও এমন ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন।
বিষয়টি কেউই ভালোভাবে নেননি। স্কুলের প্রধান শিৰক কেন চুল কাটা সেটা তার মাথায় আসে না জানিয়ে বলেছেন, সভাপতি তার মতো চলেন। এ বিষয়ে কারও সাথে তার আলোচনা হয়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিৰা কর্মকর্তাও বলেছেন, সভাপতি বা শিৰকদের শিৰার্থীদের মাথার চুল কাটার অধিকার নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও একই কথা বলেছেন। শিৰার্থীদের চুল কাটার নির্দেশনা দেয়া হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস’া নেয়ার কথাও বলেছেন।
স্কুল পরিচালনা কমিটির অভিযুক্ত সভাপতি অবশ্য বলেছেন, নিয়ম রৰার জন্যই চুল কেটে দেয়া হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের নিজের সন্তানের মতো দেখেন বলেই নাকি তিনি চুল ছোট করে দিয়েছেন। এমন অভিভাবক বাস্তবে ঠিক ক’জন আছেন সেটা জানা না গেলেও বিষয়টি এলাকাবাসীর মনে ৰোভের জন্ম দিয়েছে।
এমন অবস’ায় সভাপতি ৰমা চেয়েছেন বলে জানা গেছে। স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব জানা থাকলে নিশ্চয়ই তার এমন দশা হতো না। এ ধরনের ব্যক্তিরা ঠিক কীভাবে এমন দায়িত্বশীল পদে আসার সুযোগ পান সেটা ব্যাখ্যা করা মুস্কিল। স্কুলে শিৰার্থীদের মাথার চুল কেটে দেয়া যে কমিটির সভাপতির কাজ নয় সেটা কি বলার অপেৰা রাখে ?