রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে বিভিন্ন সড়কসহ হাট-বাজার এলাকায় দোকানে দোকানে হাতির মাধ্যমে চাঁদাবাজি করছে সার্কাসের এক হাতির মাহুত সুজন (২৫)।
রাণীনগর আত্রাই সড়কের চলাচলরত ছোট বড় যানবাহন থামিয়ে ও যাত্রী সাধারণের কাছ থেকে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করছে। দু-একজন দোকানদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে ওই হাতি দিয়ে নানা ধরণের ভয়-ভীতি দেখিয়ে টাকা দিতে বাধ্য করছে। এই অভিনব কায়দায় প্রতিনিয়ত সড়কে, রাস্তাঘাটে, এমনকি বড় বড় যানবাহন থামিয়ে চাঁবাজি চালিয়ে গেলেও এ যেন দেখার কেউ নেই। কিছুটা ভয়ের কারণেই সাধারণ মানুষরা টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছে।
জানা গেছে, গত তিন/চার দিন ধরে বগুড়ার মহাস’ানগড় এলাকায় রাজমুনি সার্কাস পাটির একটি হাতি সুজন নামের এক ছেলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাণীনগর উপজেলার সদর, কাশিমপুর, কুজাইল, বেতগাড়ী বাজার এবং রাণীনগর আত্রাই সড়কের রাস্তার দু ধারে যেসব দোকানপাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোতে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে। এই সড়কের চলাচলরত যানবাহনগুলো থামিয়ে যাত্রীকে বিব্রত অবস’ায় ফেলে শত শত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে হাতির মাহুত সুজন।
কুজাইল বাজারের ব্যবসায়ী শ্রীদাম পাল বলেন, যেভাবে হাতি নিয়ে দোকানের সামনে এসে ভয় দেখাচ্ছে তাতে টাকা না দিয়ে উপায় কি। কুজাইল বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোবারক হোসেন বলেন, সোমবার হাটের দিন হওয়ায় অনেক মানুষের ভিরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সুজন নামের এক ছেলে সার্কাসের হাতি নিয়ে এসে প্রায় প্রতিটি দোকান থেকে চাঁদা তোলা শুর্ব করে। কিছুটা অতিষ্ঠ হয়ে দোকানিদের অনুরোধে ওই ছেলেকে হাতি নিয়ে অন্য কোথাও যেতে বললে কিছুটা রাগারাগি করে এই বাজার থেকে সড়ক পথে রাণীনগর অভিমুখে চলে যায়। তবে এরা যেভাবে ভয়-ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করছে তাতে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস’া গ্রহণ করা উচিত।
রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা জহুরুল হক বলেন, সার্কাসের হাতি দিয়ে মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় টাকা পয়সা তোলে। আজ কোন এলাকায় টাকা তুলছে এমন তথ্য আমার কাছে নেই। যদি কেউ অভিযোগ দেয় তাহলে সাথে সাথে ব্যবস’া নিব।