এফএনএস: পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস’া বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়র্বল হোসেনের বির্বদ্ধে শেয়ারবাজারে কারসাজি করে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগের সত্যতা পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গোয়েন্দা ইউনিট। গতকাল সোমবার দুদকের ঊর্ধ্বতন সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে এসইসি চেয়ারম্যানের বির্বদ্ধে ওঠা অভিযোগের অনুসন্ধানে নামে দুদক। তবে দুদকের গোয়েন্দা তথ্য অনুসন্ধানে এর কোনও সত্যতা মেলেনি। গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। কমিশন প্রতিবেদন আমলে নিয়ে নথিভুক্ত করেছে।
গোয়েন্দা প্রতিবদনে বলা হয়েছে, এসইসি চেয়ারম্যানের বির্বদ্ধে যিনি অভিযোগ জমা দিয়েছিলেন তিনি ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করেছেন। অভিযোগও ভুয়া। সংশিৱষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস’া বিএসইসি চেয়ারম্যান খায়র্বল হোসেনের বির্বদ্ধে বাজার ম্যানিপুলেশন করে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ এলে দুদকের গোয়েন্দা ইউনিট আগস্টের প্রথম সপ্তাহে তথ্য সংগ্রহ শুর্ব করে। গোয়েন্দারা গোপনে তথ্য সংগ্রহ শুর্ব করলেও বিষয়টি ২১ আগস্ট বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। যদিও তখন দুদক থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। তবে দুদকের গোপন গোয়েন্দা তথ্য অনুসন্ধানে খায়র্বল হোসেনের বির্বদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। জানা যায়, অভিযোগকারীদের তথ্য গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি কমিশনে উপস’াপন করা হয়েছে। তার বির্বদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। এ ছাড়া অভিযোগকারীর কোনো অস্তিত্ব নেই। অভিযোগকারী ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করেছেন। এটি একটি ভুয়া অভিযোগ। এর আগে গত ৭ আগস্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দুদকের পক্ষ থেকে বিএসইসির চেয়ারম্যানের বির্বদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযোগের মধ্যে ছিল, বিভিন্ন গোষ্ঠীর যোগসাজশে দুর্বল কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও অনুমোদনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিক্রির ব্যবস’া করে দিয়ে ‘অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার’। দুদকের পরিচালক (মানিলন্ডারিং) গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সংস’াটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরীকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তাঁকে ‘দ্র্বত গোপনীয়ভাবে’ অনুসন্ধান শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। আর সতত্যা না পাওয়ায় দুদক গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে তা নথিভুক্ত করেছে বলেও জানা গেছে।