স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে যোগ হলো দুইটি অত্যাধুনিক সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন।
গতকাল শনিবার এই দুইটি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রম্নজ্জামান লিটন।
বেলা সাড়ে ১১টায় ফলক উন্মোচন এবং ফিতা কেটে তেরখাদিয়া অত্যাধুনিক সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনের সুইচ টিপে কার্যক্রমের উদ্বোধনের পর স্টেশনটি পরিদর্শন করেন মেয়র। এ সময় রাসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি, প্যানেল মেয়র-১ ও ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু, ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামাল হোসেন, ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন, ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনার, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাওগাতুল আলম, মেয়রের একানত্ম সচিব আলমীর কবির, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন ডলারসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, ১৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের (পূর্ব) সভাপতি দরবেশ আলী চিশতি, সাধারণ সম্পাদক তৌকির উদ্দিন খান খালেকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এরপর ১৪ নং ওয়ার্ড কার্যালয়ের পাশে এ উপলড়্গে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র খায়রম্নজ্জামান লিটন বলেন, এই নগরীকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের। রাসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা রাতভর কাজ করে নগরীকে পরিচ্ছন্ন ঝকঝকে তকতকে করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সকাল ৯টার পর থেকেই দোকান ও বাসাবাড়ির মালিকসহ অন্যান্য নাগরিকরা রাসত্মা, বাড়ির সামনেসহ যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলে শহরকে নোংরা করেন। এটি কাম্য নয়। যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে রাসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ভ্যানে ময়লা-আবর্জনা দিয়ে নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সহযোগিতা করম্নন।
অনুষ্ঠান শেষে ১৪ নং ওয়ার্ডে চারটি পরিচ্ছন্নতার ভ্যান প্রদান করেন মেয়র। ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্যানেল মেয়র-১ ও ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু।
এদিকে দুপুরে ২৮ নং ওয়ার্ডে কাজলা সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মেয়র। ২৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল হাসান বাচ্চুর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্যানেল মেয়র-১ ও ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু। এ সময় ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিযাম উল আযিমসহ অন্যান্য কাউন্সিলরবৃন্দ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাওগাতুল আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উলেস্নখ্য, আধুনিক এই দুইটি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে নির্মাণ ব্যয় হয়েছে দুইটি কোটি ১৪ লাখ টাকা। এছাড়া সমপরিমাণ ব্যয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে আরো দুইটি আধুনিক সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন উদ্বোধনের অপেড়্গায় আছে। এসব সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে নিচ থেকে লিফটের মাধ্যমে বর্জ্যভর্তি ভ্যান উপরে উঠে যাবে। এরপর ভ্যান থেকে সরাসরি ট্রাকে বর্জ্য লোড হবে।