স্টাফ রিপোর্টার: ঈদের পরে হটাৎ করেই পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরম্ন করেছে। এছাড়া দাম বেড়েছে চিনি, আটাসহ কয়েকটি সবজির। তাছাড়া অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাজশাহী মহানগরীসহ এর উপকন্ঠের বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদুল আজহার পরে বাড়তে শুরম্ন করেছে পেঁয়াজের দাম। ঈদের আগে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ৩৫ এবং ভারতিয় ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ১০ দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ১৫ টাকা। গতকাল প্রতিকেজি পেঁয়াজ দেশি ৪৫ থেকে ৫০ এবং ভারতিয় ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, ভারতে বন্যার কারণে আবাদ ড়্গতিগ্রসত্ম হওয়ায় সেখানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এর প্রভাবে এখানেও দাম বাড়ছে।
এছাড়াও কয়েকটি সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, বেগুন ৩০, আলু ২০, পটল ২৫, করোলা ৪০, কচু ৩৫, পেপে ২০, ঢেড়স ৩০, মিস্টিকুমড়া ২৫, ডাটা ১৫, লাউ-কুমড়া প্রতিপিস ২৫, প্রতিহালি কলা ১০, লেবু ৮ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। চিনির দাম কেজিতে ২ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৫৬ এবং আটা কেজিতে ৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে খোলা আটা ২৮ এবং প্যাকেট ৩২/৩৩ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এদিকে গতকাল খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পোলাও এর চাল রকম ভেদে ৭০ থেকে ১শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গুটিস্বর্না ২৮/৩০, পারিজা/ লালস্বর্না ৩২/৩৩, আটাশ ৩৪ থেকে ৪২, মিনিকেট ৪৩ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মুগ ডাল বড়দানা ৬০, ছোটদানা ১২০, মসুর ডাল বড়দানা ৫৫, ছোট দানা ১০৮, ছোলার ডাল ৯০, এংকর ডাল ৪০, খেসারি ডাল ৬০, প্রতিলিটার সয়াবিন তেল খোলা ৭৮, বোতল ১শ’ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এদিকে গতকাল প্রতিকেজি ছোটমাছ ৩শ’ থেকে ৬শ’, সিলভার কার্প ১২০ থেকে ১৩০, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৪০, রম্নই-কাতলা ১৮০ থেকে ২৮০, ইলিশ ছোট সাইজ (৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম) ৬শ’ থেকে ৯শ’ টাকা এবং বড় সাইজ (৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি) ৯শ’ থেকে ১ হাজার ২শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি গরম্নর মাংস ৫৩০ থেকে ৫৫০, খাসির মাংস ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মুরগি ও ডিমের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল প্রতিকেজি মুরগি ব্রয়লার ১শ’ থেকে ১১০, সোনালী ২শ’ থেকে ২১০, দেশি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গতকাল প্রতিহালি সাদাডিম ৩২/৩৪ এবং লালডিম ৩৪/৩৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।