স্টাফ রিপোর্টার: বখাটেদের হাতে শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রম্নয়েট) শিড়্গক রাশিদুল ইসলামের বাসায় গিয়েছেন রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। এ সময় তিনি তাকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, রাজশাহী শানিত্মর নগরী। এই শহরে বখাটেদের দৈরাত্ম্য বাড়তে দেওয়া হবে না। বাদশা বলেন, ঘটনার খবর শুনেই তিনি রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেছেন। দ্রম্নত সময়ের মধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য বলেছেন।
সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পর রাজশাহী মহানগরীর মহিষবাথান এলাকায় ভুক্তভোগী ওই শিড়্গকের বাসায় যান। এ সময় তিনি শিড়্গক রাশিদুলসহ তার বাবা, মা এবং স্ত্রীর সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা বসে কথা বলেন। আশ্বাস দেন সব সময় পাশে থাকার।
গত ১০ আগস্ট ঈদের কেনাকাটা করে বাসায় ফিরছিলেন রম্নয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিড়্গক রাশিদুল ইসলাম। একদল বখাটে তখন তার স্ত্রীকে ধাক্কা দেন। এ সময় বখাটেদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এরপর রাশিদুল ইসলাম তার স্ত্রীকে নিয়ে অটোরিকশায় চড়ে বসেন। তারপরেও বখাটেরা কটূক্তি করতে থাকে। রাশিদুল ইসলাম এর প্রতিবাদ করলে বখাটেরা অটোরিকশায় বসে থাকা অবস’ায় শিড়্গককে মারধর করে।
সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশাকে কাছে পেয়ে শিড়্গক রাশিদুল ইসলাম বলেন, এই শহরে আমি জন্ম নিয়েছি, পড়াশোনা করেছি। এই শহরে শিড়্গকতা করছি। আর এই শহরেই বখাটেদের হাতে লাঞ্ছনার শিকার হওয়াটা ভীষণ কষ্টের। বখাটেদের বিরম্নদ্ধে কঠোর ব্যবস’া নেওয়া দরকার।
তিনি বলেন, রাজশাহীর সুনাম অড়্গুণ্ন রাখতে হলে সব বড় সড়কগুলোতে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসাতে হবে। তা না হলে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে, কিন’ অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে না। রাজশাহীর সুনাম তখন নষ্ট হবে। বাইরের জেলা থেকে কেউ এলে অনিরাপদ মনে করবে।
শিড়্গক রাশিদুল ইসলামকে সানত্মনা দিয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, জীবনে অনেক ধরনের ঘটনা ঘটে। কিন’ এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। অপরাধীরা যেন শাসিত্মর মুখোমুখি হয় তার জন্য তিনি সব ধরনের পদড়্গেপ নেবেন।