স্টাফ রিপোর্টার: মাত্র আধা কিলোমিটার পায়ে হাঁটা রাস্তা। তাও আবার সর্ব, খানা-খন্দে ভরপুর। এতে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে রাজশাহীর তানোর পৌর শহরের তিন নম্বর ওয়ার্ডের হাজারো বাসিন্দা। স’ানীয়দের অভিযোগ, ভোটের আগে জনপ্রতিনিধিরা প্রতিশ্র্বতি দিচ্ছেন বরাবরই। কিন’ সর্ব মাটির রাস্তাটি প্রশস্ত কিংবা পাকাকরণ হচ্ছে না। ফলে দুর্ভোগ যাচ্ছে না বাসিন্দাদের।
তানোর-চৌবাড়িয়া মেইন সড়কে চাপড়া এতিমখানার পূর্ব দিকের রাস্তার থেকে শুর্ব। ওই এলাকার মোসলেম হুজুরের বাড়ি হয়ে মরাকুড়ি শ্বশান ঘাট পর্যন্ত চলে গেছে কাঁচা এ রাস্তা। পায়ে হাঁটা পথ বর্ষায় কাদাপানিতে হয়ে পড়ে একাকার। কিছু অংশ আবার ডুবে যায় পানিতে। সর্ব এ রাস্তায় চলাচল হয়ে পড়ে কষ্টসাধ্য।
স’ানীয়রা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরেই এলাকার জনপ্রতিনিধিরা আশ্বাস দিচ্ছেন রাস্তাটি প্রশস্ত ও পাকাকরণ হবে। অন্ততঃ জর্বরি প্রয়োজনে রিকশা-ভ্যান চলাচলের উপযোগী করবেন তারা। কিন’ আজও প্রতিশ্র্বতির বাস্তবায়ন নেই। এতে হতাশ এলাকাবাসী। তাঁরা আরও বলেন, এই রাস্তাটি কয়েক বাড়ীর কয়েক’শ জনগনের জন্য জর্বরী। এছাড়া পাশেপাশে লোকজন সেটি ব্যবহার করে।
চাপড়া গোবিন্দ কালী মন্দিরের পূজা কমিটির সাবেক সভাপতি উত্তম কুমার নন্দীসহ স’ানীয় সনাতন ধর্মের ১৫-২০ জন এই প্রতিবেদককে জানান, দীর্ঘ ১২ বছর ধরে এমপি, মেয়র, কাউন্সিলর, এলজিইডি অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে এ রাস্তাটুকু প্রশস্ত ও পাকাকরণের জন্য একাধিকবার মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। কিন’ এখনো রাস্তাটি রয়েছে আগের মতই।
স’ানীয় বাসিন্দা ও তানোর পৌর যুবলীগের সভাপতি রাজিব সরকার হিরো বলেন, জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এ রাস্তাটি দ্র্বত তৈরি করতে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি অতিব জর্বরি। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মুরসালিন শেখ জানান, যথাযথ বরাদ্দ ও ভুক্তভোগীগিদের পর্যাপ্ত জমির অভাবে রাস্তাটি করা সম্ভব হয়নি। তবে মেয়র মহোদয়সহ সংশিৱষ্ট সকলকে বিষয়টির ব্যাপারে বারবার অবহিত করেছেন বলেও জানান তিনি।
এ নিয়ে তানোর পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান জানান, পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় ওই রাস্তাটি প্রশস্ত কিংবা পাকাকরণ করা সম্ভব হয়নি। তবে জনগণের চাহিদা বিবেচনা করে জর্বরি ভিত্তিতে ওই রাস্তার কাজ করা হবে বলে জানান মেয়র।