স্টাফ রিপোর্টার: শরতের বৃষ্টিতে গতকাল নগরীর নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে এই বৃষ্টি রাজশাহী অঞ্চলের আমন ও সবজি খেতে সেচের কাজ করায় চাষিরা খুশি।
কয়েকদিন টানা তাপদাহের পর ঈদের দিন সকাল থেকে বৃষ্টি শুরম্ন হয়েছে এই অঞ্চলে। টানা তাপদাহ আর তীব্র গরমের পর এই বৃষ্টিতে স্বসিত্ম ফিরেছে ঠিকই, তবে বিড়ম্বনারও কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে ঈদ বিনোদনে পড়েছে ছেদ।
শিকড়ের টানে ফেরা মানুষগুলোর জন্য ঈদের দিন থেকেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদফতর। শেষ পর্যনত্ম হয়েছেও তাই। কখনও রোদ, কখনও মেঘ, আবার কখনও বৃষ্টি। এভাবেই কেটেছে ঈদের দিন।
এরপর ঈদের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনও বৃষ্টি হয়েছে। এই বৃষ্টিতে মহানগরীর শহিদ এএইচএম কামারম্নজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা, জিয়া শিশু পার্ক, শহিদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পার্ক, পদ্মাপাড়সহ মহানগরীর বিনোদন কেন্দ্রগুলো প্রায় ফাঁকা ছিল। পরে ১৫ এবং ১৬ই আগস্ট তেমন বৃষ্টি না হওয়ায় বিনোদন কেন্দ্রগুলো মুখোরিত হয়ে উঠে।
গতকাল শনিবার শরতের দুপুরে রাজশাহীতে আবারো শুরম্ন হয় বৃষ্টি। এতে নগরীর নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাসাবাড়ি ও রাসত্মার পাশে জমে থাকা পানি নিয়ে দুশ্চিনত্মায় রয়েছেন এলাকাবাসী। মশার উপদ্রব রোধে ড্রেনেজ ব্যবস’া সংষ্কার করে জরম্নরি ভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস’া করার দাবি তাদের।
এদিকে কয়েকদিন টানা তাপদাহের পর এই বৃষ্টিতে স্বসিত্ম ফিরেছে চাষিদের মাঝে। আমন খেতে যারা সেচ দেয়া শুরম্ন করেছিলেন তাদের আর সেচ লাগছে না। অনেকেই এই বৃষ্টির পানিতে আমন চারা রোপণ করছেন। কৃষিবিদরা বলছেন, এই বৃষ্টি আমন ও সবজি খেতে সেচের কাজ করেছে। তাছাড়া পাট জাগের ড়্গেত্রেও সুবিধা করেছে এই বৃষ্টি।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, ১২ আগস্ট ঈদের দিন থেকে ১৪ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যনত্ম রাজশাহীতে ৫২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে ১৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।