এফএনএস আর্ন্তজাতিক: যুক্তরাষ্ট্রের শেষ মুহূর্তের আবেদন সত্বেও গত মাসে আটক ইরানি তেল ট্যাংকারকে ছেড়ে দিয়েছে জিব্রাল্টার।
ট্যাংকারটিতে বহন করা তেল সিরিয়ায় খালাস করা হবে না, লিখিতভাবে ইরানের কাছ থেকে জিব্রাল্টার এমন আশ্বাস পাওয়ার পর ট্যাংকারটিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি, বার্তা সংস’া রয়টার্স।
ইরানি তেলবাহী গ্রেস ওয়ান ইউ-রোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আরো-পিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে সিরিয়ায় তেল নিয়ে যাচ্ছে সন্দেহে ৪ জুলাই ব্রিটিশ রয়েল মেরিন ভূমধ্যসাগরের পশ্চিম দিকের প্রবেশ মুখ জিব্রাল্টার প্রণালী থেকে ট্যাংকারটি আটক করেছিল।
এর দুই সপ্তাহ পর পারস্য উপসাগরে প্রবেশের মুখে হরমুজ প্রণালী থেকে ব্রিটিশ পতাকাবাহী ট্যাংকার স্টেনা ইমপেরোকে আটক করে ইরান।
এ নিয়ে ব্রিটেনের সঙ্গে ইরানের তীব্র উত্তেজনা তৈরি হলেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২১ লাখ ব্যারেল ইরানি তেল নিয়ে আটক গ্রেস ওয়ান ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত জিব্রাল্টারের উপকূলেই ছিল।
কিন’ সেখানে জাহাজটির মাথা প্রায় ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা রয়টার্সকে জানিয়ে-ছেন। জিব্রাল্টার উপকূলের তীব্র স্রোতের জন্য ট্যাংকারটির সামনে অংশ ঘুরে গেছে না জাহাজটি ওই উপকূল ছাড়ার প্রস’তি নিচ্ছে তা পরিষ্কার হয়নি।
সরকারিভাবে স্বীকার করা না হলেও গ্রেস ওয়ানকে ছাড়ার বিনিময়ে স্টেনা ইমপেরোকেও ছাড়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জিব্রাল্টারের প্রধান বিচারপতি অ্যান’নি ডাডলি জানিয়েছেন, যুক্ত-রাষ্ট্রের আবেদনটি বর্তমানে আদাল-তের সামনে আছে।
স্বাধীন একটি আইনি কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের আবেদনটি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন জিব্রাল্টারের মুখ্যমন্ত্রী ফাবিয়ান পিকার্দো।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ দপ্তর বলেছে, ইইউয়ের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা সিরিয়ার দিকে ট্যাংকারটি যাবে না বলে যে আশ্বাস ইরান দিয়েছে তা অবশ্যই তাদের মেনে চলতে হবে।
অপরদিকে, ট্যাংকারটির মুক্তি আট-কানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগের নিন্দা করে ট্রাম্প প্রশাসনের বির্বদ্ধে ‘জলদস্যুতার’ অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভাদ জারিফ।