স্টাফ রিপোর্টার: ঈদের দিন বিকালে নগরীর বিভিন্ন মোড়ে জমে উঠেছিল সংগৃহীত মাংসের বাজার। রাজশাহী রেলষ্টেশন, গোরহাঙ্গা রেলগেট, দড়িখড়বোনা মোড়, লক্ষ্মিপুর মোড়, কোর্ট রেলস্টেশন মোড়, হড়গ্রাম বাজার,ভদ্রা মোড়, তালাইমারী মোড়, বিনোদপুর বাজারসহ নগরীর অধিকাংশ মোড়ে জমজমাট ছিল সংগৃহিত মাংসের কেনাকাটা। সেখানে সংগৃহিত গরম্নর মাংস বিক্রি হয়েছে ৫২০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি। আর খাসির মাংস বিক্রি হয়েছে ৬০০ থেকে সাড়ে ৬০০ টাকা কেজি দরে।
নগরীর দড়িখড়বোনা এলাকার সংগৃহীত মাংস বিক্রেতা পলাশ বলেন, আমরা এই দিনে এ ব্যবসা করে প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা আয় করি। কুখন্ডির আলম কিসমত বলেন, আজ রাত ১২/১ টা পর্যনত্ম এই কেনাবেচা চলবে। এ থেকে ৫/৬ হাজার টাকা লাভ করতে পারবো বলে আশা রাখি। বড় বনগাঁর হানিফ বলেন, একদিন ব্যবসা করে আমার ৩ মাসের খরচ আসে।
সমাজের অনেক নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষ আছেন যারা কোরবানি দিতে পারেন না এবং নগরীর বাইরে থেকে এসে নতুনভাবে এখানে বসবাস করছেন তাদের অনেকে এই কোরবানির মাংস কিনেই ঈদ উদযাপন করে থাকেন। এক সূত্রে জানা গেছে যে নগরীর অনেক হোটেল ব্যবসায়ীরাও নাকি এ মাংস সংগ্রহ করে হোটেল ব্যবসা চালান।
সমাজের যারা নিম্নবিত্তের মানুষ, যারা ভিড়্গাবৃত্তি করে খান তারাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির মাংস সংগ্রহ করে তা বাজারে বিক্রি করে কিছু অর্থ উপার্জন করে থাকে। এ ছাড়াও যারা কোরবানি দিয়ে থাকেন তাদেরও অনেক গরিব আত্মীয়-স্বজন আছেন তাদেরকে মাংস দিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে সহযোগিতা করেন। তাদের মধ্যে অনেকেই বাজারে গিয়ে ওইসব মাংস বিক্রি করে দেয়। এতেই তাদের কিছু অর্থ আয় হয়ে থাকে। এভাবেই ঈদের দিন সংগৃহীত মাংসের বাজার ছিল জমজমাট।