কাজী নাজমুল ইসলাম: আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজহা। শেষ সময়ে এসে জমে উঠেছে রাজশাহীর পশুহাটগুলো। দাম নাগালে থাকায় ক্রেতারা তাদের পছন্দের পশু কিনে বাড়ি ফিরছেন।
কাল ঈদুল আজহা। তাই শেষ সময়ে ক্রেতা-বিক্রেতারা ব্যসত্ম কুরবানির পশু কেনাবেচায়। রাজশাহীতে কুরবানির বড় পশুহাটগুলোর মধ্যে রয়েছে নগরীর সিটি হাট, নওহাটা, কাটাখালি, মহিষালবাড়ি, কাকনহাট, মচমইল, কেশরহাট, বানেশ্বর হাট। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই হাটগুলোতে শেষ সময়ে প্রচুর পরিমাণে কুরবানির পশুর আমদানী হচ্ছে। আবার ক্রেতাদের উপসি’তিও প্রচুর।
সিটি হাটের গরম্ন ব্যবসায়ীরা বলেন, মাংসের বাজার হিসাবে কোরবানির গরম্নর দাম বেশি নয়। তারা বলেন, ছোট আকৃতির গরম্ন এখন ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় মিলছে, মাঝারি আকৃতির গরম্নর দাম ৬০ থেকে ৮০ হাজার টাকার মধ্যে এবং বড় গরম্ন ৯০ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানান ব্যবসায়ীরা। দাম নাগালের মধ্যে থাকায় শেষ সময়ে পশু বেচাকেনাও হচ্ছে প্রচুর।
যারা রাখার জায়গা না থাকার কারণে এখনও কুরবানির পশু কেনেননি। তারা আজ কুরবানির পশু কিনবেন। আজ সিটিহাট, নওহাটা, কেশরহাট, কাটাখালি, মহিশালবাড়ি, বানেশ্বর, কাকনহাট, মচমইল হাটে কুরবানির পশুর আমদানী হবে বলে সংশিস্নষ্টরা জানান।
প্রতিবছরের মতো এবারও হাটগুলোতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নিরাপাত্তায় বাড়তি ব্যবস’া নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রড়্গাকারী বাহিনী। হাটগুলোতে রয়েছে পশু চিকিৎসক। এছাড়া হাটগুলোতে জাল টাকা শনাক্তের জন্য মেশিনের ব্যবস’া রাখা হয়েছে। কয়েকটি ব্যাংকও এ ব্যাপারে কাজ করছে।
রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. অনিত্মম কুমার সরকার জানান, জেলার ৯ উপজেলায় এবার ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৫৭৪ কোরবানির পশু লালন-পালন করা হয়েছে। রাজশাহীতে এবার কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৮২৪ টি। গতবছর এখানে স’ানীয় খামারের ৩ লাখের কিছু কম পশু কুরবানি হয়েছে। এবারও এখানে স’ানিয় খামারের পশু দিয়েই কুরবানি হবে বলে জানান তিনি।