সোনালী ডেস্ক: নাটোর ও বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত ও ২ জন আহত হয়েছেন।
নাটোর প্রতিনিধি জানান, নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা সীমা সংলগ্ন লালপুরের গুদড়ায় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন মোটরসাইকেলরোহী মেহেদী হাসান (২৫) ও বাবু (৩০)। মেহেদী হাসান যশোর জেলার শার্শা থানার আলমাই গ্রামের রফিকুল ইসলামের পুত্র এবং টাঙ্গাইল ‘ডওরপ’ বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা ছিলেন। বাবু নাটোর জেলার নলডাঙা থানার বিলজোয়ারী গ্রামের আলী আকবরের পুত্র ও মেহেরপুর আসিফ এন্টারপ্রাইজের গাড়িচালক।
নিহত মেহেদী হাসানের চিকিৎসাধীন আহত অনত্মসত্ত্বা স্ত্রী রুখসানা পারভীন (২২) জানান, স্বজনদের সাথে ঈদ করার জন্য স্বামীর কর্মস্থল টাঙ্গাইল থেকে মোটরসাইকেলযোগে যশোরের দিকে রওনা হই। পথে দুর্ঘটনায় পতিত হই। নিহত বাবুর ভাই আবুল হোসেন জানান, ঈদ উপলড়্গে কর্মস্থল মেহেরপুর থেকে বাবু মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলে প্রথমে তাকে নাটোর সদর হাসপাতালে ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারটার দিকে মুত্যুবরণ করেন।
দুর্ঘটনার প্রত্যড়্গদর্শী গুদড়া গ্রামের আমজাদ হোসেন ও সালমা বেগম জানান, নাটোরগামী সবুজ রঙের ডিসকভার মোটরসাইকেল একই দিকে চলমান মিনি ট্রাককে ওভারটেক করার সময় বিপরীত মুখ থেকে আসা দুই আরোহী বিশিষ্ট লাল রঙের টিভিএস মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুই মোটরসাইকেলের ৩ জনই আহত হন। পরে দ্রম্নত তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, ঈদে নিহতরা কর্মস্থল থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে গুদড়াতে পৌঁছলে তাদের গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এলাকাবাসী আহত স্বামী-স্ত্রী মেহেদী হাসান ও রুখসানা পারভীনকে বনপাড়া পাটোয়ারী হাসপাতালে নিয়ে আসলে মেহেদী হাসান মৃত্যুবরণ করেন ও রুখসানা পারভীনকে ভর্তি করা হয়। এছাড়া বাবু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। সংঘর্ষে উভয় মোটরসাইকেলের ব্যাপক ড়্গতি হয়েছে। সেগুলো থানায় জব্দ করা হয়েছে। নিহতদের স্বজনেরা কেহই থানায় এ পর্যনত্ম না আসায় কোনো মামলা হয়নি। মেহেদী হাসানের লাশ থানায় আনা হয়েছে।
বগুড়া প্রতিনিধি জানান, বগুড়ার শেরপুরে মর্মানিত্মক এক সড়ক দুর্ঘটনায় সোহান (২২) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন সোহাগ (২০) নামের ১ জন।
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার মির্জাপুর-জামাইল সড়কের আড়ংশাইল এলাকায় । একটি ট্রাকের সাথে মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহত সোহান শেরপুর শহরের শানিত্মনগর এলাকার নূরুন্নবীর ছেলে। এ সময় আহত শেরপুর শহরের সাইফুল ইসলামের ছেলে সোহাগকে (২০) উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও শেরপুর ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে মোটরসাইকেল নিয়ে যাবার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে সংঘর্ষ হলে ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।