তৈয়বুর রহমান: ঈদুল আজহার আর মাত্র তিন দিন বাকি। ঈদ উদযাপন সফল করতে দোকানে দোকানে ক্রেতাদের কেনা-বেচায় ব্যসত্ম হয়ে পড়েছে নগরীর ব্যবসা কেন্দ্রগুলো। নগরী এখন কর্মচঞ্চল।
ঈদকে সামনে রেখে কোরবানির পশু কেনাকাটায় মানুষ ব্যসত্ম থাকলেও এর পাশাপাশি নগরীর বাজারগুলো জমে উঠেছে ঈদ সামগ্রীর কেনাকাটা। রাজশাহীর মুসলিম সম্প্রদায় ঈদের কেনাকাটায় চরম ব্যসত্ম। কোরবানির মাংস দীর্ঘ দিন সংরড়্গণের জন্য অনেকেই কিনছেন ফ্রিজ। তারা ইলেক্ট্রনিক্সের দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন প্রতি দিন। কেউ ফ্রিজ কিনছেন ৩০ হাজার টাকায়, কেউ কিনছেন ৫০ হাজার আবার কেউ কিনছেন ৬০ থেকে ৭০ হা্‌জার টাকা দিয়ে।
এটাকে কোরবানির ঈদ বলা হলেও ঈদতো। তাই সবাই চান ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে, ঈদ উৎসবের আনন্দকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে। তাই ঈদকে সামনে রেখে রাজশাহীসহ দেশের সর্বত্রই কেনাকাটায় সবাই ব্যসত্ম হয়ে পড়েছেন। কেউ কিনছেন ঈদের পোশাক। কেউ কিনছেন জুতা-সে-েল,কেউ কিনছেন আতর-টুপি,কেউ কিনছেন সুগন্ধি তেল। অনেকেই কিনছেন চিনি-সেমাই, কেউ কিনছেন মাংসের মসলাসহ সয়াবিনের জারকিং হাতে বাড়ি ফিরছেন অটো কিম্বা রিকশাতে। নগরীর আরডিএ ও সাহেব বাজারসহ নগরীর মার্কেটগুলো ছিল জমজমাট। অর্থাৎ ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কয়েক দিন ধরে মহানগরব্যাপী চলেছে ঈদুল আজহা উদযাপনের কর্মযজ্ঞ।
এদিকে সামনে রেখে বাজারগুলোতে ছুটছেন সাধারণ মানুষ। এতে জনসমাগমের সাথে সাথে নগরীতে বেড়েছে ছোট ছোট যান চলাচল। মানুষ আর যানের প্রবাহে নগরীতে সৃষ্টি হয়েছে যানজটের।
ঈদকে সামনে রেখে রাজশাহীর স’ায়ী বাসিন্দা যারা চাকরি-বাকরি বা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে রাজশাহীর বাইরে থাকেন তারা নাড়ির টানে,ভাতৃত্বের টানে বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজনের সাথে ঈদ উদযাপনের জন্যে রাজশাহী এসেছেন। ঈদুল আজহা উৎসবকে প্রাণবনত্ম ও আনন্দ উৎসবে পরিণত করতে সরকার অগ্রিম-বেতন-বোনাস দিয়েছেন। তাই কয়েক দিন ধরে রাজশাহীর কর্মজীবী মানুষ ব্যাংকে ভিড় জমিয়েছেন। পেনসন ভোগিরা পেনসন পেয়েছেন, বয়স্করা পেয়েছেন বয়স্ক ভাতা আবার মুক্তিযোদ্ধারা পেয়েছেন সম্মানি ভাতা। অর্থাৎ এ কয় দিন নগরীর ব্যাংকগুলোতে ছিল অতিরিক্ত ভিড।