স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীর সড়ক বিভাজনগুলো ভরে উঠেছে সবুজে আর ফুলে। যা দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। ফুল আর সবুজে ভরা উঠা সড়ক বিভাজনে যেনো প্রাণ ফিরেছে। নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পেয়েছে।
আলিফ লাম মীম ভাটা এলাকা থেকে শুরম্ন করে ফল গবেষণা ইন্সটিটিউট পর্যনত্ম ৭ কিলোমিটার রাসত্মাটির মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া সড়ক বিভাজনে এখন শোভা পাচ্ছে অসংখ্য পামওয়েল গাছ। গাছের চারাগুলো গত বছর রোপন করা হয়েছে। আর এরই মধ্যে বেশ বেড়েও উঠেছে।
অন্যদিকে নগরীর রেলগেট থেকে সিএন্ডবি মোড় পর্যনত্ম প্রায় তিন কিলোমিটার রাসত্মার সড়ক বিভাজনে শোভা পাচ্ছে ফুল আর সবুজে ছেয়ে যাওয়া নানা প্রজাতির গাছে।
নগরীর সড়ক বিভাজনগুলোতে হাজার হাজার ফুল ও নানা প্রজাতির গাছে ভরে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে কনকচূড়া, জারম্নল, কৃষ্ণচূড়া, গাঁধাচূড়া, কাঁঞ্চন, হাইকা, পলাশ, চেরি, কাঠকরলসহ নানা জাতের ফুলে ভরে গেছে সড়ক বিভাজনগুলো।
এর পাশাপাশি রয়েছে পাম গাছ। পামগাছুলোর সবুজ পাতাভরা ডালগুলো মেলে ধরেছে পাখির মতো। যেনো উড়তে চায় আকাশে। আর গোলাপী, বেগুনি, লাল, নিলসহ নানা রংয়ের ফুলে ফুলে এ এক অন্যন্য সৌন্দর্যের মাত্রা ছড়িয়েছে সড়ক বিভাজনগুলোতে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সূত্র মতে, ২০১৬ সালে এই রাজশাহী নগরীর পরিবেশ দূষণরোধে সারা বিশ্বের মধ্যে প্রথম স্থান দখল করেছিল। এছাড়াও ২০০৬, ২০০৯ ও ২০১২ সালে সারা দেশের মধ্যে বৃক্ষরোপনে রাজশাহী নগরী প্রথম হয়েছিল। সেই লক্ষ্যে এবারো রাসিক বিপুল পরিমাণ বৃক্ষরোপনের উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহীতে।
সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রম্নজ্জামান লিটনের উদ্যোগে এরই অংশ হিসেবে নগরীর সড়ক বিভাজনেই কেবল ৮ হাজার গাছের নতুন চারা রোপনের কাজ চলছে। এছাড়াও নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ২শ’টি করে গাছের চারা ও শিক্ষা প্রতিষ্টানগুলোতে আরো ২ হাজার গাছের চারা রোপনের সিদ্ধানত্ম নেওয়া হয়েছে।