স্টাফ রিপোর্টার : সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের সাংবাদিক আবদুল হাকিম শিমুল হত্যা মামলায় মেয়র (সাময়িক বরখাসত্মকৃত) হালীমুল হক মিরম্নর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে আদালত এ মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দিন ধার্য করেছেন। গতকাল সোমবার রাজশাহীর দ্রম্নত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এ আদেশ দেন।
দৈনিক সমকালের শাহজাদপুর প্রতিনিধি আবদুল হাকিম শিমুল ২০১৭ সালের ২ ফেব্রম্নয়ারি পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরম্নর শর্টগানের গুলিতে গুরম্নতর আহত হন। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে শিমুলের স্ত্রী নুরম্নন্নাহার খাতুন বাদী হয়ে শাহজাদপুর পৌরসভার মেয়র মিরম্নকে প্রধান আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে ১৮ জনের নাম উলেস্নখসহ আরও ২৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। তদনত্ম শেষে পুলিশ একই বছরের ২ মে মেয়র মিরম্ন, তার ভাই মিন্টুসহ ৩৮ জনের বিরম্নদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে মেয়র মিরম্ন কারাগারে আছেন। তবে অপর ৩৭ জন আসামি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হন। তারা এ পর্যনত্ম জামিনেই আছেন।
এদিকে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে রাজশাহীর দ্রম্নত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি স্থানানত্মরের জন্য গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। দীর্ঘ প্রায় ৭ মাস পর গত ১৪ জুলাই ওই প্রজ্ঞাপনটি সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পৌঁছে।
এরপর আলোচিত এ মামলাটি রাজশাহীর দ্রম্নত বিচার ট্রাইব্যুনালে পৌছালে সোমবার রাজশাহী দ্রম্নত বিচার ট্রাইব্যুনালে জামিনের শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মিরম্নর জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে থাকা মামলার অন্য ৩৭ জন আসামিকে ১০ হাজার টাকা বন্ডের বিনিময়ে বদলি জামিন দেয়া হয়। এ দিন তারাও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধীতা করেন ট্রাইব্যুনালের পিপি এনত্মাজুল হক বাবু। এছাড়াও বাদি পক্ষে তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী সুশানত্ম সরকার, রোসত্মম আলী ও মোমিনুল ইসলাম বাবু। আসামি মিরম্নর পড়্গে ছিলেন সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী আবদুল আলিম মিয়া জুয়েল, রাজশাহীর আইনজীবী একরামুল হক, আসলাম সরকার, মোসাাব্বিরম্নল প্রমুখ। আদালতের আদেশের পর মেয়র মিরম্নকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।